অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সম্পদের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে এই বাজেট দেয়া আমাদের জন্য কঠিন ছিল। তবে সীমিত সম্পদের মধ্যেই সবার জন্য এই বাজেট দেয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল ৩টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি মানুষের জন্য এই বাজেট দেয়া হয়েছে। জাতিবর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে বাজেটের আওতায় আনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি বরাদ্দের ক্ষেত্রে চারটি বিষয় মাথায় রাখা হয়েছে। বরাদ্দে ব্যয় যেন সঠিকভাবে হয় সেটা নিশ্চিত করা হবে।
মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মূল্যস্ফীতি কমাতে সরকার ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় হ্রাসের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। যাতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকে।
তিনি বলেন, নিম্ন শ্রেণীর মানুষদের অর্থনীতির মূল ধারায় আনতে সামাজিক সুরক্ষা খাতে বড় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এত বড় বরাদ্দ আগে কোনো বাজেটে হয়নি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল ৩টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি মানুষের জন্য এই বাজেট দেয়া হয়েছে। জাতিবর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে বাজেটের আওতায় আনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি বরাদ্দের ক্ষেত্রে চারটি বিষয় মাথায় রাখা হয়েছে। বরাদ্দে ব্যয় যেন সঠিকভাবে হয় সেটা নিশ্চিত করা হবে।
মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, মূল্যস্ফীতি কমাতে সরকার ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় হ্রাসের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। যাতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকে।
তিনি বলেন, নিম্ন শ্রেণীর মানুষদের অর্থনীতির মূল ধারায় আনতে সামাজিক সুরক্ষা খাতে বড় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এত বড় বরাদ্দ আগে কোনো বাজেটে হয়নি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে