দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিঠাপানির জলাভূমি ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওরে অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে নির্বিচারে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। গভীর রাতে সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে পরিচালিত এ কার্যক্রমে হাওরের মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, সুনামগঞ্জের মধ্যনগর ও তাহিরপুর উপজেলাজুড়ে বিস্তৃত টাঙ্গুয়ার হাওরের বিভিন্ন অংশে রাতের আঁধারে অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, এসব জাল ইতোমধ্যে হাওরপাড়ের বিভিন্ন গ্রামের জেলেদের হাতে পৌঁছে গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলে জানান, পার্শ্ববর্তী নেত্রকোনা জেলার এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এসব জাল সংগ্রহ করা হয়। পরে হাওরের গভীর জলাশয়ে এক থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত জাল পানির নিচে রাখা হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই ছোট-বড় মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী জালে আটকা পড়ে।
হাওরপাড়ের বাসিন্দা নজির হোসেন বলেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র নিয়মিতভাবে হাওরের বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের জাল ব্যবহার করছে। এতে বড় মাছের পাশাপাশি পোনা, ছোট মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীও ধ্বংস হচ্ছে। ফলে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে এবং হাওরের প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহল জানায়, অবৈধ মাছ নিধন বন্ধে নিয়মিত টহল জোরদার, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং চায়না দুয়ারি জাল জব্দে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। অন্যথায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ এ জলাভূমির পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা কঠিন হয়ে পড়বে।
পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাসমির রেজা বলেন, এ ধরনের জালের ব্যবহার শুধু মাছ নয়, পুরো জলজ বাস্তুতন্ত্রের জন্যই ক্ষতিকর। পোনা ও মাছের ডিম নষ্ট হওয়ায় ভবিষ্যতে দেশীয় প্রজাতির মাছ উৎপাদন বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে। পাশাপাশি মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত বিভিন্ন জলজ কীটপতঙ্গও ধ্বংস হচ্ছে।
এ বিষয়ে মধ্যনগর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় ঘোষ বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওরে চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে মাছ ধরা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। হাওরের পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
জানা গেছে, সুনামগঞ্জের মধ্যনগর ও তাহিরপুর উপজেলাজুড়ে বিস্তৃত টাঙ্গুয়ার হাওরের বিভিন্ন অংশে রাতের আঁধারে অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, এসব জাল ইতোমধ্যে হাওরপাড়ের বিভিন্ন গ্রামের জেলেদের হাতে পৌঁছে গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলে জানান, পার্শ্ববর্তী নেত্রকোনা জেলার এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এসব জাল সংগ্রহ করা হয়। পরে হাওরের গভীর জলাশয়ে এক থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত জাল পানির নিচে রাখা হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই ছোট-বড় মাছসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী জালে আটকা পড়ে।
হাওরপাড়ের বাসিন্দা নজির হোসেন বলেন, একটি সংঘবদ্ধ চক্র নিয়মিতভাবে হাওরের বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের জাল ব্যবহার করছে। এতে বড় মাছের পাশাপাশি পোনা, ছোট মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীও ধ্বংস হচ্ছে। ফলে মাছের স্বাভাবিক প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে এবং হাওরের প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহল জানায়, অবৈধ মাছ নিধন বন্ধে নিয়মিত টহল জোরদার, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং চায়না দুয়ারি জাল জব্দে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। অন্যথায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ এ জলাভূমির পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা কঠিন হয়ে পড়বে।
পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাসমির রেজা বলেন, এ ধরনের জালের ব্যবহার শুধু মাছ নয়, পুরো জলজ বাস্তুতন্ত্রের জন্যই ক্ষতিকর। পোনা ও মাছের ডিম নষ্ট হওয়ায় ভবিষ্যতে দেশীয় প্রজাতির মাছ উৎপাদন বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে। পাশাপাশি মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত বিভিন্ন জলজ কীটপতঙ্গও ধ্বংস হচ্ছে।
এ বিষয়ে মধ্যনগর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় ঘোষ বলেন, টাঙ্গুয়ার হাওরে চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহার করে মাছ ধরা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং দণ্ডনীয় অপরাধ। হাওরের পরিবেশ ও মৎস্যসম্পদ রক্ষায় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন