২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কনটেন্ট নির্মাতা, ফ্রিল্যান্সার এবং স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের জন্য একাধিক কর ও ভ্যাট সুবিধার ঘোষণা এসেছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপনকালে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন।
বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেটে স্থানীয় পর্যায়ে স্টার্টআপের ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতির প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়াও, স্টার্টআপগুলোর আমদানি করা সেবা এবং অফিস বা অন্যান্য স্থাপনা ভাড়ার ওপর ভ্যাট মওকুফের প্রস্তাব রয়েছে। এই সুবিধাগুলি ২০৩৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।
পৃথক একটি প্রস্তাবে কনটেন্ট নির্মাতা ও ফ্রিল্যান্সারদের সেবার ওপর বর্তমানে আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট পুরোপুরি প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেটের শিরোনাম ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ রাখা হয়েছে।
এবারের বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বিদেশি ঋণ পরিশোধে ব্যয় ৪৬ হাজার কোটি টাকা এবং বিদেশি অনুদানের লক্ষ্য ৬ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। ব্যাংক ঋণের লক্ষ্য ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্র থেকে আসবে ১৫ হাজার কোটি টাকা এবং করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া, ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চার লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতি থাকলে আবগারি শুল্ক দিতে হবে না।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেটে স্থানীয় পর্যায়ে স্টার্টআপের ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতির প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়াও, স্টার্টআপগুলোর আমদানি করা সেবা এবং অফিস বা অন্যান্য স্থাপনা ভাড়ার ওপর ভ্যাট মওকুফের প্রস্তাব রয়েছে। এই সুবিধাগুলি ২০৩৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।
পৃথক একটি প্রস্তাবে কনটেন্ট নির্মাতা ও ফ্রিল্যান্সারদের সেবার ওপর বর্তমানে আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট পুরোপুরি প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেটের শিরোনাম ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ রাখা হয়েছে।
এবারের বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বিদেশি ঋণ পরিশোধে ব্যয় ৪৬ হাজার কোটি টাকা এবং বিদেশি অনুদানের লক্ষ্য ৬ হাজার ১৫০ কোটি টাকা। ব্যাংক ঋণের লক্ষ্য ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্র থেকে আসবে ১৫ হাজার কোটি টাকা এবং করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া, ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চার লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতি থাকলে আবগারি শুল্ক দিতে হবে না।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে