দেশে নতুন করে ছড়িয়ে পড়া হামের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে আগামী ২০ জুন পর্যন্ত সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এর পাশাপাশি সামনেই ডেঙ্গুর মৌসুম থাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ ব্রিফিংয়ে দেশের সার্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।
একই সাথে রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর মর্মান্তিক ঘটনায় কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে প্রাথমিক তদন্তে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতির প্রমাণ পাওয়ায় হাসপাতালের লাইসেন্স কেন স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে ৭২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ লিখিত জবাব দেওয়ার জন্য আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়ে বিশেষ আবেদন করলে সার্বিক দিক বিবেচনা করে সময় বাড়ানোর কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি আরো জানান, বিশ্বের ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ। দেশীয় উৎপাদকরা ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারলে এই পরিসর আরও বৃদ্ধি পাবে।
মন্ত্রী বলেন, বিগত ১৭ বছর সরকারগুলো কোনো ভেন্টিলেটর, মেশিন, ভ্যাকসিন দিয়ে যায়নি। এমনকি সিরিঞ্জও ছিল না। প্রাইভেট এন্টারপ্রেনারদের সহায়তায় হামের মতো বিপদগুলো মোকাবিলা করেছে সরকার।
দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা ও বিগত প্রশাসনের সমালোচনা করে মন্ত্রী আরও বলেন, বিগত সরকার দেশের স্বাস্থ্যসেবার চিকিৎসা সরঞ্জামের বড় ধরনের একটি সংকট তৈরি করে দিয়ে গেছে, যা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চলছে। এর পাশাপাশি সারা দেশে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের বিভিন্ন দাবির গ্রহণযোগ্যতা ও যৌক্তিকতাও এই মুহূর্তে গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে
সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ ব্রিফিংয়ে দেশের সার্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।
একই সাথে রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর মর্মান্তিক ঘটনায় কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে প্রাথমিক তদন্তে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতির প্রমাণ পাওয়ায় হাসপাতালের লাইসেন্স কেন স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে ৭২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ লিখিত জবাব দেওয়ার জন্য আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়ে বিশেষ আবেদন করলে সার্বিক দিক বিবেচনা করে সময় বাড়ানোর কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি আরো জানান, বিশ্বের ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ। দেশীয় উৎপাদকরা ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারলে এই পরিসর আরও বৃদ্ধি পাবে।
মন্ত্রী বলেন, বিগত ১৭ বছর সরকারগুলো কোনো ভেন্টিলেটর, মেশিন, ভ্যাকসিন দিয়ে যায়নি। এমনকি সিরিঞ্জও ছিল না। প্রাইভেট এন্টারপ্রেনারদের সহায়তায় হামের মতো বিপদগুলো মোকাবিলা করেছে সরকার।
দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা ও বিগত প্রশাসনের সমালোচনা করে মন্ত্রী আরও বলেন, বিগত সরকার দেশের স্বাস্থ্যসেবার চিকিৎসা সরঞ্জামের বড় ধরনের একটি সংকট তৈরি করে দিয়ে গেছে, যা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চলছে। এর পাশাপাশি সারা দেশে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের বিভিন্ন দাবির গ্রহণযোগ্যতা ও যৌক্তিকতাও এই মুহূর্তে গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচবি/এসকে