চলতি অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে বাংলাদেশ ফল রপ্তানি করে ১২ কোটি ৩০ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার আয় করেছে, যা সাম্প্রতিক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছর ২০২৪–২৫ সালে এ খাতে আয় ছিল ৬ কোটি ৭৫ লাখ ১০ হাজার ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৮২ শতাংশেরও বেশি।
ইপিবির পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আগের বছরগুলোর তুলনায় ফল রপ্তানিতে ধারাবাহিক উল্লম্ফন ঘটেছে। ২০২৩–২৪ অর্থবছরে আয় ছিল ২ কোটি ৯২ লাখ ৪০ হাজার ডলার, আর ২০২২–২৩ সালে তা ছিল মাত্র ১০ লাখ ৬০ হাজার ডলার।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক খাদ্য নিরাপত্তা মানদণ্ড মেনে উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে উন্নতি, রপ্তানিমুখী ফল চাষের সম্প্রসারণ এবং নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ এ খাতের দ্রুত প্রবৃদ্ধির মূল কারণ।
ইপিবির তথ্য বলছে, “বাদাম, তাজা বা শুকনো” শ্রেণির পণ্য থেকেই রপ্তানি আয়ের বড় অংশ এসেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই–মে সময়ে এ খাতে আয় হয়েছে ১২ কোটি ২৮ লাখ ১৮ হাজার ডলার। একই সময়ে হিমায়িত ফল ও বাদাম রপ্তানি থেকে আয় দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৮২১ ডলারে।
তাজা ফল রপ্তানিতেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে আম এখনো দেশের প্রধান রপ্তানি ফল হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, কুয়েত, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে দেশীয় ফলের চাহিদা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন রপ্তানিকারকরা।
পেয়ারা ও কাঁঠালও প্রতিযোগিতামূলক দামে আন্তর্জাতিক বাজারে জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। পাশাপাশি আনারস, লিচু ও কলাসহ মৌসুমি ফলের চাহিদাও ক্রমেই বাড়ছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ফল রপ্তানি যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক কুমকুম সুলতানা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফল চাষে বড় পরিবর্তন এসেছে। ড্রাগন ফল, কাজুবাদাম ও কফির মতো উচ্চমূল্যের ফসলের চাষ দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক সংকেত।
ইপিবির সহসভাপতি মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, ফল রপ্তানি খাত তুলনামূলকভাবে বেশি লাভজনক, কারণ এতে দেশীয় কাঁচামালই মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং আমদানিনির্ভরতা খুবই কম।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
ইপিবির পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আগের বছরগুলোর তুলনায় ফল রপ্তানিতে ধারাবাহিক উল্লম্ফন ঘটেছে। ২০২৩–২৪ অর্থবছরে আয় ছিল ২ কোটি ৯২ লাখ ৪০ হাজার ডলার, আর ২০২২–২৩ সালে তা ছিল মাত্র ১০ লাখ ৬০ হাজার ডলার।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক খাদ্য নিরাপত্তা মানদণ্ড মেনে উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে উন্নতি, রপ্তানিমুখী ফল চাষের সম্প্রসারণ এবং নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ এ খাতের দ্রুত প্রবৃদ্ধির মূল কারণ।
ইপিবির তথ্য বলছে, “বাদাম, তাজা বা শুকনো” শ্রেণির পণ্য থেকেই রপ্তানি আয়ের বড় অংশ এসেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই–মে সময়ে এ খাতে আয় হয়েছে ১২ কোটি ২৮ লাখ ১৮ হাজার ডলার। একই সময়ে হিমায়িত ফল ও বাদাম রপ্তানি থেকে আয় দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৮২১ ডলারে।
তাজা ফল রপ্তানিতেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে আম এখনো দেশের প্রধান রপ্তানি ফল হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, কুয়েত, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে দেশীয় ফলের চাহিদা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন রপ্তানিকারকরা।
পেয়ারা ও কাঁঠালও প্রতিযোগিতামূলক দামে আন্তর্জাতিক বাজারে জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। পাশাপাশি আনারস, লিচু ও কলাসহ মৌসুমি ফলের চাহিদাও ক্রমেই বাড়ছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ফল রপ্তানি যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিচালক কুমকুম সুলতানা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফল চাষে বড় পরিবর্তন এসেছে। ড্রাগন ফল, কাজুবাদাম ও কফির মতো উচ্চমূল্যের ফসলের চাষ দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক সংকেত।
ইপিবির সহসভাপতি মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, ফল রপ্তানি খাত তুলনামূলকভাবে বেশি লাভজনক, কারণ এতে দেশীয় কাঁচামালই মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং আমদানিনির্ভরতা খুবই কম।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন