তেল-গ্যাস এবং বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি ও সীমান্তে পুশইনের প্রতিবাদে আগামীকাল রোববার (৭ জুন) বাদ আসর রাজধানীর বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।
গত শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ঢাকাস্থ নির্বাহী সদস্যদের এক জরুরি পরামর্শ সভায় সিদ্ধান্তটি গৃহীত হয়। শনিবার (৬ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
পরামর্শ সভায় সভাপতিত্ব করেন- দলের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। এতে উপস্থিত ছিলেন- নায়েবে আমীর মাওলানা কুরবান আলী, যুগ্ম মহাসচিব মুফতী শরাফত হুসাইন, মাওলানা তাফাজ্জল হুসাইন মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশিদ ভূঁইয়া, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা আনোয়ার হুসাইন রাজী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুরশেদুল আলম সিদ্দিকী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা সানাউল্লাহ আমিনী, সহ-সভাপতি মাওলানা আতিকুল্লাহ, যুব মজলিসের সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামান, যুবনেতা আল আবিদ শাকের এবং খেলাফত ছাত্র মজলিসের সভাপতি মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সভায় মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলেও দেশে বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। একদিকে বিভিন্ন সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণকে সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হলেও, অন্যদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় ক্রমাগত বেড়ে যাচ্ছে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত জনস্বার্থবিরোধী এবং জনগণের সঙ্গে প্রকারান্তরে প্রতারণার শামিল।
তিনি আরও বলেন, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের পুশইন ও হয়রানির ঘটনা দেশের সার্বভৌমত্ব ও নাগরিক মর্যাদার জন্য উদ্বেগজনক। এ বিষয়ে সরকারকে কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করে সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি অবিলম্বে বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাসের মূল্য হ্রাস এবং সীমান্তে পুশইনের ঘটনা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়ে আগামীকালের বিক্ষোভ কর্মসূচি সফল করতে সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
সভায় ঈদযাত্রায় সারা দেশে নিহত ও আহতদের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে জাতীয় উৎসবগুলোতে অব্যবস্থাপনার কারণে কোনো পরিবার যেন দুর্ঘটনা ও ভোগান্তির শিকার না হয়, সে লক্ষ্যে সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
গত শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ঢাকাস্থ নির্বাহী সদস্যদের এক জরুরি পরামর্শ সভায় সিদ্ধান্তটি গৃহীত হয়। শনিবার (৬ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
পরামর্শ সভায় সভাপতিত্ব করেন- দলের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ। এতে উপস্থিত ছিলেন- নায়েবে আমীর মাওলানা কুরবান আলী, যুগ্ম মহাসচিব মুফতী শরাফত হুসাইন, মাওলানা তাফাজ্জল হুসাইন মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশিদ ভূঁইয়া, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা আনোয়ার হুসাইন রাজী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুরশেদুল আলম সিদ্দিকী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা সানাউল্লাহ আমিনী, সহ-সভাপতি মাওলানা আতিকুল্লাহ, যুব মজলিসের সভাপতি মাওলানা জাহিদুজ্জামান, যুবনেতা আল আবিদ শাকের এবং খেলাফত ছাত্র মজলিসের সভাপতি মুহাম্মাদ আব্দুল আজিজসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সভায় মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলেও দেশে বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। একদিকে বিভিন্ন সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণকে সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হলেও, অন্যদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় ক্রমাগত বেড়ে যাচ্ছে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত জনস্বার্থবিরোধী এবং জনগণের সঙ্গে প্রকারান্তরে প্রতারণার শামিল।
তিনি আরও বলেন, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের পুশইন ও হয়রানির ঘটনা দেশের সার্বভৌমত্ব ও নাগরিক মর্যাদার জন্য উদ্বেগজনক। এ বিষয়ে সরকারকে কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করে সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি অবিলম্বে বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাসের মূল্য হ্রাস এবং সীমান্তে পুশইনের ঘটনা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়ে আগামীকালের বিক্ষোভ কর্মসূচি সফল করতে সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
সভায় ঈদযাত্রায় সারা দেশে নিহত ও আহতদের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে জাতীয় উৎসবগুলোতে অব্যবস্থাপনার কারণে কোনো পরিবার যেন দুর্ঘটনা ও ভোগান্তির শিকার না হয়, সে লক্ষ্যে সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন