মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে শুক্রবার (৫ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও বেড়েছে। আগের দিনের বড় ধরনের দরপতনের পর বাজার কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায়। এর পেছনে লেবাননে নতুন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান এবং ওমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল টার্মিনালে বিস্ফোরণের ঘটনা ভূমিকা রেখেছে।
এদিন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৩ সেন্ট বা ০.৩৫ শতাংশ বেড়ে ৯৫.৩৬ ডলারে পৌঁছেছে। আগের দিন এর দাম প্রায় ২.৮৪ শতাংশ কমেছিল। অন্যদিকে, মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ সেন্ট বেড়ে ৯৩.০৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার এর দাম ৩.১ শতাংশ কমেছিল।
দুই ধরনের তেলই টানা তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রথমবারের মতো সাপ্তাহিক মূল্যবৃদ্ধির পথে রয়েছে। বিশেষ করে ডব্লিউটিআই-এর দাম সপ্তাহজুড়ে ৬ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা দীর্ঘায়িত হওয়া, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা এবং হরমুজ প্রনালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত থাকায় বাজারে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী তেলের মজুত কমে আসার আশঙ্কাও রয়েছে, যা বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে দামের আরও ঊর্ধ্বগতি ঘটাতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।।
বাজার বিশ্লেষক টনি সাইকামোরের মতে, ইতিবাচক কিছু ইঙ্গিত থাকলেও পরস্পরবিরোধী খবরের কারণে বাজারে অনিশ্চয়তা এখনও কাটেনি।
অন্যদিকে, ওপেকের মহাসচিব হাইথাম আল-গাইস বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও হরমুজ প্রণালির সীমিত কার্যক্রম সত্ত্বেও চলতি বছরে দৈনিক ১২ লাখ ব্যারেল তেল চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস বহাল রাখা হয়েছে।
জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের কারণে ইরানের তেল রপ্তানি ছয় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। তবে চীনে দুর্বল চাহিদার কারণে তেলের দামের ওপর কিছুটা চাপও তৈরি হয়েছে।
তথ্যসূত্র: জিও নিউজ
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
এদিন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৩ সেন্ট বা ০.৩৫ শতাংশ বেড়ে ৯৫.৩৬ ডলারে পৌঁছেছে। আগের দিন এর দাম প্রায় ২.৮৪ শতাংশ কমেছিল। অন্যদিকে, মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ সেন্ট বেড়ে ৯৩.০৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার এর দাম ৩.১ শতাংশ কমেছিল।
দুই ধরনের তেলই টানা তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রথমবারের মতো সাপ্তাহিক মূল্যবৃদ্ধির পথে রয়েছে। বিশেষ করে ডব্লিউটিআই-এর দাম সপ্তাহজুড়ে ৬ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা দীর্ঘায়িত হওয়া, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা এবং হরমুজ প্রনালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত থাকায় বাজারে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী তেলের মজুত কমে আসার আশঙ্কাও রয়েছে, যা বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে দামের আরও ঊর্ধ্বগতি ঘটাতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।।
বাজার বিশ্লেষক টনি সাইকামোরের মতে, ইতিবাচক কিছু ইঙ্গিত থাকলেও পরস্পরবিরোধী খবরের কারণে বাজারে অনিশ্চয়তা এখনও কাটেনি।
অন্যদিকে, ওপেকের মহাসচিব হাইথাম আল-গাইস বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ও হরমুজ প্রণালির সীমিত কার্যক্রম সত্ত্বেও চলতি বছরে দৈনিক ১২ লাখ ব্যারেল তেল চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস বহাল রাখা হয়েছে।
জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের কারণে ইরানের তেল রপ্তানি ছয় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। তবে চীনে দুর্বল চাহিদার কারণে তেলের দামের ওপর কিছুটা চাপও তৈরি হয়েছে।
তথ্যসূত্র: জিও নিউজ
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন