বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে ‘গণবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি অবিলম্বে বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারসহ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একের পর এক ব্যর্থতা দিয়ে তাদের যাত্রা শুরু হয়েছে। তারা জাতির সঙ্গে ওয়াদা ভঙ্গ করেছে। জুলাই সনদের সঙ্গে তারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশের যে কথা তারা বলেছিল, তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সমালোচনা করে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘চলতি বছরই সরকারের বিদ্যুৎমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন আগামী দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না। কিন্তু মাত্র তিন মাস পার হতে না হতেই সিলিন্ডার গ্যাসের দাম ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা বাড়ানো হলো এবং বিদ্যুতের দামও প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হলো।’
তিনি অভিযোগ করেন, গ্রাহক পর্যায়ে ছয়টি স্লটে যেভাবে দাম বাড়ানো হয়েছে, তাতে প্রান্তিক ও দরিদ্র মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়বে। বিদ্যুৎ সেক্টরে সিস্টেম লস ও ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও দুর্নীতি বন্ধ না করে, সাধারণ মানুষের পকেট কেটে সেই টাকা ভরাট করার চেষ্টা চলছে।
আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের শর্ত পূরণের জন্য এই মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংকের গোলাম নই। তাদের কথায় বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করে জনগণের দুঃখ-কষ্ট বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সারা বিশ্ব যখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে, সরকার সেদিকে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর বোঝার ওপর শাকের আঁটি চাপিয়ে দিচ্ছে।’
আসন্ন ৭ জুনের সংসদ অধিবেশন ও বাজেট পেশের প্রসঙ্গ টেনে গোলাম পরওয়ার বলেন, আইএমএফের শর্ত বা বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সংসদে আলোচনা না করে, সংসদের আগেই গতকাল হঠাৎ বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এটি জাতীয় সংসদ ও জনগণের রায়কে অবমাননা করার শামিল।
সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জামায়াত নেতা বলেন, “অবিলম্বে এই বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করুন এবং জনগণের জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে দিন। তা না হলে অতীতে জুলুম-অত্যাচারের পরিণতি কী হয়েছে, তা পেছনের দিকে তাকালেই দেখতে পাবেন। দেশের মানুষ এখন মন্ত্রীদের দেখলেই ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিচ্ছে। সময় থাকতে স্বাভাবিকভাবে দেশ পরিচালনার চেষ্টা করুন।”
সর্বশেষে তিনি যোগ করেন, ‘আমাদের বিরোধীদলীয় নেতা ওয়াদা করেছেন সরকারের সব ভালো কাজে আমরা সাহায্য করব এবং গঠনমূলক দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করব। কিন্তু জনস্বার্থবিরোধী কোনো অন্যায় কাজ জামায়াতে ইসলামী মেনে নেবে না।’
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটের সামনে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একের পর এক ব্যর্থতা দিয়ে তাদের যাত্রা শুরু হয়েছে। তারা জাতির সঙ্গে ওয়াদা ভঙ্গ করেছে। জুলাই সনদের সঙ্গে তারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশের যে কথা তারা বলেছিল, তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।
বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সমালোচনা করে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘চলতি বছরই সরকারের বিদ্যুৎমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন আগামী দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে না। কিন্তু মাত্র তিন মাস পার হতে না হতেই সিলিন্ডার গ্যাসের দাম ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা বাড়ানো হলো এবং বিদ্যুতের দামও প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হলো।’
তিনি অভিযোগ করেন, গ্রাহক পর্যায়ে ছয়টি স্লটে যেভাবে দাম বাড়ানো হয়েছে, তাতে প্রান্তিক ও দরিদ্র মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়বে। বিদ্যুৎ সেক্টরে সিস্টেম লস ও ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট ও দুর্নীতি বন্ধ না করে, সাধারণ মানুষের পকেট কেটে সেই টাকা ভরাট করার চেষ্টা চলছে।
আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের শর্ত পূরণের জন্য এই মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংকের গোলাম নই। তাদের কথায় বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করে জনগণের দুঃখ-কষ্ট বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সারা বিশ্ব যখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে, সরকার সেদিকে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর বোঝার ওপর শাকের আঁটি চাপিয়ে দিচ্ছে।’
আসন্ন ৭ জুনের সংসদ অধিবেশন ও বাজেট পেশের প্রসঙ্গ টেনে গোলাম পরওয়ার বলেন, আইএমএফের শর্ত বা বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সংসদে আলোচনা না করে, সংসদের আগেই গতকাল হঠাৎ বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এটি জাতীয় সংসদ ও জনগণের রায়কে অবমাননা করার শামিল।
সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে জামায়াত নেতা বলেন, “অবিলম্বে এই বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করুন এবং জনগণের জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে দিন। তা না হলে অতীতে জুলুম-অত্যাচারের পরিণতি কী হয়েছে, তা পেছনের দিকে তাকালেই দেখতে পাবেন। দেশের মানুষ এখন মন্ত্রীদের দেখলেই ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিচ্ছে। সময় থাকতে স্বাভাবিকভাবে দেশ পরিচালনার চেষ্টা করুন।”
সর্বশেষে তিনি যোগ করেন, ‘আমাদের বিরোধীদলীয় নেতা ওয়াদা করেছেন সরকারের সব ভালো কাজে আমরা সাহায্য করব এবং গঠনমূলক দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করব। কিন্তু জনস্বার্থবিরোধী কোনো অন্যায় কাজ জামায়াতে ইসলামী মেনে নেবে না।’
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে