জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২৩-এর ঘোষিত ফলাফল নিয়ে বিতর্কের পর দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে পরিবর্তন এনে সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। নতুন প্রজ্ঞাপনে আজীবন সম্মাননা এবং সেরা চিত্রনাট্য বিভাগে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) প্রকাশিত সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রয়াত নির্মাতা তারেক মাসুদ এবং প্রয়াত চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চুকে মরণোত্তর বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে। এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি, প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে তাদের আজীবন সম্মাননার জন্য মনোনীত করা হয়েছিল।
তবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নীতিমালায় আজীবন সম্মাননার জন্য জীবিত ব্যক্তিদের বিবেচনার বিধান থাকায় বিষয়টি নিয়ে চলচ্চিত্রাঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে সরকার সংশোধিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
সংশোধিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে যৌথভাবে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনম (ঝর্ণা বসাক শবনম) এবং বরেণ্য চলচ্চিত্র সম্পাদক ফজলে হক।
এদিকে, সেরা চিত্রনাট্য বিভাগেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রথম প্রজ্ঞাপনে ‘রক্তজবা’ চলচ্চিত্রের জন্য নিয়ামুল মুক্তাকে সেরা চিত্রনাট্যকার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে অভিযোগ ওঠে, সিনেমাটির চিত্রনাট্য তার লেখা নয়। অভিযোগের পর বিষয়টি পর্যালোচনা করে সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে একই চলচ্চিত্রের জন্য তাসনীমুল হাসানকে সেরা চিত্রনাট্যকার হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
মঙ্গলবার (২ জুন) প্রকাশিত সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রয়াত নির্মাতা তারেক মাসুদ এবং প্রয়াত চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চুকে মরণোত্তর বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে। এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি, প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে তাদের আজীবন সম্মাননার জন্য মনোনীত করা হয়েছিল।
তবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নীতিমালায় আজীবন সম্মাননার জন্য জীবিত ব্যক্তিদের বিবেচনার বিধান থাকায় বিষয়টি নিয়ে চলচ্চিত্রাঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে সরকার সংশোধিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
সংশোধিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে যৌথভাবে আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী শবনম (ঝর্ণা বসাক শবনম) এবং বরেণ্য চলচ্চিত্র সম্পাদক ফজলে হক।
এদিকে, সেরা চিত্রনাট্য বিভাগেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রথম প্রজ্ঞাপনে ‘রক্তজবা’ চলচ্চিত্রের জন্য নিয়ামুল মুক্তাকে সেরা চিত্রনাট্যকার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। পরবর্তীতে অভিযোগ ওঠে, সিনেমাটির চিত্রনাট্য তার লেখা নয়। অভিযোগের পর বিষয়টি পর্যালোচনা করে সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে একই চলচ্চিত্রের জন্য তাসনীমুল হাসানকে সেরা চিত্রনাট্যকার হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন