পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটায় একটি ভাড়া বাসা থেকে সাইয়েদুল আবেদিন (৪২) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সম্প্রতি তিনি মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে ফিরেছেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারনা ওই ব্যক্তি আত্মহত্যা করতে পারেন। মহিপুর থানার পরিদর্শক তদন্ত অনিমেশ হালদার এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১০ টা থেকে বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার মধ্যে যেকোনো একসময় কুয়াকাটা পৌরসভার পাঞ্জুপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাইয়েদুল আবেদিন বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার বন্দর এলাকার বাসিন্দা। তিনি গত প্রায় ২০ দিন ধরে স্ত্রী আয়েশা বেগমকে নিয়ে কুয়াকাটা পৌরসভার পাঞ্জুপাড়ার শাহেদ শিকদারের মালিকানাধীন একটি সেমি-পাকা বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন। আয়শা বেগম ( ধর্মান্তরিত) নামের এই রাখাইন নারীকে দ্বিতীয় বিয়ে করে কুয়াকাটা থাকছিলেন। সম্প্রতি তিনি মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে ফেরেন।
জানা গেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সাইয়েদুল বাসায় এসে স্ত্রীকে মারধর ও গালাগাল করেন। পরে রাতের খাবার খাওয়ার পর আবারও তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ শুরু হয়। একপর্যায়ে রাত ১০টার দিকে স্ত্রীকে ঘরের বাইরে বের করে দেন। ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন।
দীর্ঘ সময় দরজা না খোলায় এবং ভেতর থেকে কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে স্ত্রী ও প্রতিবেশিরা দরজায় ধাক্কাধাক্কি করেন। পরে বিষয়টি মহিপুর থানা পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ঘরের আড়ার সঙ্গে লুঙ্গি ও গামছা দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় সাইয়েদুলকে উদ্ধার করে। পরে তাকে কুয়াকাটা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মহিপুর থানার পরিদর্শক অনিমেশ হালদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ওই ব্যক্তিকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ধারণা করা হচ্ছে ওই ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন।
মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
জানা গেছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১০ টা থেকে বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার মধ্যে যেকোনো একসময় কুয়াকাটা পৌরসভার পাঞ্জুপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাইয়েদুল আবেদিন বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার বন্দর এলাকার বাসিন্দা। তিনি গত প্রায় ২০ দিন ধরে স্ত্রী আয়েশা বেগমকে নিয়ে কুয়াকাটা পৌরসভার পাঞ্জুপাড়ার শাহেদ শিকদারের মালিকানাধীন একটি সেমি-পাকা বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন। আয়শা বেগম ( ধর্মান্তরিত) নামের এই রাখাইন নারীকে দ্বিতীয় বিয়ে করে কুয়াকাটা থাকছিলেন। সম্প্রতি তিনি মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে ফেরেন।
জানা গেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সাইয়েদুল বাসায় এসে স্ত্রীকে মারধর ও গালাগাল করেন। পরে রাতের খাবার খাওয়ার পর আবারও তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ শুরু হয়। একপর্যায়ে রাত ১০টার দিকে স্ত্রীকে ঘরের বাইরে বের করে দেন। ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন।
দীর্ঘ সময় দরজা না খোলায় এবং ভেতর থেকে কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে স্ত্রী ও প্রতিবেশিরা দরজায় ধাক্কাধাক্কি করেন। পরে বিষয়টি মহিপুর থানা পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ঘরের আড়ার সঙ্গে লুঙ্গি ও গামছা দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় সাইয়েদুলকে উদ্ধার করে। পরে তাকে কুয়াকাটা হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মহিপুর থানার পরিদর্শক অনিমেশ হালদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে ওই ব্যক্তিকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ধারণা করা হচ্ছে ওই ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন।
মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন