বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির আয়োজন সম্পন্ন। কয়েক দিনের গণশুনানি শেষে আজ দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দেওয়া হবে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিআইআরসি) সংবাদ সম্মেলন করে মূল্য বৃদ্ধির ঘোষণা দেবে। সব ধরনের গ্রাহককে (লাইফ লাইনসহ) বিদ্যুতের এই বাড়তি মূল্য দিতে হবে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিদ্যুতের মূল্য ১৮ থেকে ১৯ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। এ হিসাবে প্রতি ইউনিট ১ থেকে ১ টাকা ২০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়তে পারে।
বিইআরসি আজ বিকালে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির ঘোষণা ছাড়াও পাইকারি গ্রাহক (বিতরণ কোম্পানি) এবং সঞ্চালন লাইনের হুইলিং চার্জ বাড়ানো হবে। পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম খুচরার চেয়ে একটু বেশি বাড়ানো হচ্ছে বলে জানা গেছে। চলতি মাস থেকেই মূল্য বৃদ্ধি কার্যকর হবে।
সরকারি কর্মকর্তারা জানান, আর কয়েক দিন পর সাধারণ গ্রাহকরা যে বিল পাবেন সেখানে বাড়তি বিল যোগ হয়ে যাবে। বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ যুগান্তরকে এ ব্যাপারে কিছু বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, কমিশনের প্রক্রিয়া অনুযায়ী গণশুনানি এবং অন্যান্য কার্যক্রম শেষ করা হয়েছে।
জানা গেছে, একেবারে স্বল্প আয়ের মানুষ বা শূন্য থেকে ৫০ এবং শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট (লাইফ লাইন) পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীসহ সব ধরনের গ্রাহকের বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। তবে লাইফ লাইন গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলের স্তর (স্ল্যাব) আগের মতোই থাকছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবি শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলের স্তর না রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বিইআরসিতে।
সরকারি কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যুতের দাম ১৮ থেকে ১৯ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ালে পিডিবির রাজস্ব বাড়বে ১২ হাজার কোটি টাকা। গত মাসে পিডিবির প্রস্তাবে বলা হয়েছে বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনে কম দামে বিক্রির কারণে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পিডিবির লোকসান হবে ৬৫ হাজার কোটি টাকা। বাকি টাকা এবারের বাজেটে বরাদ্দ রাখতে অনুরোধ করবে বিদ্যুৎ বিভাগ।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
বিইআরসি আজ বিকালে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির ঘোষণা ছাড়াও পাইকারি গ্রাহক (বিতরণ কোম্পানি) এবং সঞ্চালন লাইনের হুইলিং চার্জ বাড়ানো হবে। পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম খুচরার চেয়ে একটু বেশি বাড়ানো হচ্ছে বলে জানা গেছে। চলতি মাস থেকেই মূল্য বৃদ্ধি কার্যকর হবে।
সরকারি কর্মকর্তারা জানান, আর কয়েক দিন পর সাধারণ গ্রাহকরা যে বিল পাবেন সেখানে বাড়তি বিল যোগ হয়ে যাবে। বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ যুগান্তরকে এ ব্যাপারে কিছু বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, কমিশনের প্রক্রিয়া অনুযায়ী গণশুনানি এবং অন্যান্য কার্যক্রম শেষ করা হয়েছে।
জানা গেছে, একেবারে স্বল্প আয়ের মানুষ বা শূন্য থেকে ৫০ এবং শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট (লাইফ লাইন) পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীসহ সব ধরনের গ্রাহকের বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। তবে লাইফ লাইন গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলের স্তর (স্ল্যাব) আগের মতোই থাকছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবি শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলের স্তর না রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বিইআরসিতে।
সরকারি কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যুতের দাম ১৮ থেকে ১৯ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ালে পিডিবির রাজস্ব বাড়বে ১২ হাজার কোটি টাকা। গত মাসে পিডিবির প্রস্তাবে বলা হয়েছে বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনে কম দামে বিক্রির কারণে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পিডিবির লোকসান হবে ৬৫ হাজার কোটি টাকা। বাকি টাকা এবারের বাজেটে বরাদ্দ রাখতে অনুরোধ করবে বিদ্যুৎ বিভাগ।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন