ঈদুল আজহার ছুটির সময়েও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি কার্যক্রমের তদারকি করেছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। একই সঙ্গে তিনি গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চা এবং তথ্য যাচাই ছাড়া কোনো সংবাদ প্রকাশ না করার আহবান জানিয়েছেন।
সোমবার (০১ জুন) ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
আতিকুর রহমান রুমন বলেন, দেশের মানুষ যখন ঈদের ছুটি উদযাপনে ব্যস্ত ছিলেন, তখন প্রধানমন্ত্রী ও তার টিম সরকারি দায়িত্ব পালন অব্যাহত রেখেছেন।
তিনি জানান, ঈদের পরদিন প্রধানমন্ত্রী নিজেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। কোথাও অব্যবস্থাপনা বা গাফিলতি চোখে পড়লে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, সরকার দেশের উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও দিনরাত পরিশ্রম করছেন।
প্রেস সচিব বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমবান্ধব এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তবে কিছু ক্ষেত্রে অনলাইন প্লাটফর্মে যাচাইহীন তথ্য, বিভ্রান্তিকর ফটোকার্ড, খণ্ডিত বক্তব্য ও ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে, যা ভুল বার্তা ছড়িয়ে সমাজে অস্থিরতা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
সোমবার (০১ জুন) ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
আতিকুর রহমান রুমন বলেন, দেশের মানুষ যখন ঈদের ছুটি উদযাপনে ব্যস্ত ছিলেন, তখন প্রধানমন্ত্রী ও তার টিম সরকারি দায়িত্ব পালন অব্যাহত রেখেছেন।
তিনি জানান, ঈদের পরদিন প্রধানমন্ত্রী নিজেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। কোথাও অব্যবস্থাপনা বা গাফিলতি চোখে পড়লে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, সরকার দেশের উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও দিনরাত পরিশ্রম করছেন।
প্রেস সচিব বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমবান্ধব এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তবে কিছু ক্ষেত্রে অনলাইন প্লাটফর্মে যাচাইহীন তথ্য, বিভ্রান্তিকর ফটোকার্ড, খণ্ডিত বক্তব্য ও ভিডিও প্রচার করা হচ্ছে, যা ভুল বার্তা ছড়িয়ে সমাজে অস্থিরতা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে