অপেক্ষারও যেন একটা নিজস্ব গল্প থাকে। কখনও তা দীর্ঘশ্বাসে মিশে থাকে, কখনও স্বপ্নে, কখনও আবার ক্যালেন্ডারের পাতায় জমে থাকা দিন-গোনায়। কাতারের তপ্ত গরমে লুসাইল স্টেডিয়ামে চার বছর আগে যে মহারণের পর্দা নেমেছিল, ফুটবলের জাদুকর লিওনেল মেসি বা ‘দ্য ফ্লি’ যেভাবে শিরোপায় চুমু খেয়েছিলেন তা তো প্রকৃতিরই শোধ বলা যায়! মহাবিশ্বের মহানায়কের হাতে বিশ্বকাপের ট্রফি থাকবে না তা হয় কী করে?
২০২২ বিশ্বকাপে আলবিসেলেস্তেদের শিরোপা জিতিয়েই মেসি হয়ে ওঠেন অহংকারের প্রতীক। ওই মুহূর্ত, ওই রেশ বুকে নিয়েই ফুটবলপ্রেমীরা পেরিয়ে এসেছে অজুত-নিযুত সময়, অসংখ্য ঋতু, অগণিত সকাল-সন্ধ্যা। প্রকৃতির নিয়মে পূর্বে সূর্য ওঠে পশ্চিমে অস্ত যায়। সময় তার স্বাভাবিক গতিতে বয়ে যায়, আর কমতে থাকে বিশ্বকাপের প্রতীক্ষা। অবশেষে সেই প্রতীক্ষার শেষ অধ্যায় এসে গেছে। গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো।
দেখতে দেখতে বিশ্বকাপ চলে এসেছে একেবারে দুয়ারে। বছর পেরিয়েছে, মাস ফুরিয়েছে, এখন বাকি কেবল কয়েকটি দিন। এরপরই পৃথিবী আবার ডুবে যাবে ফুটবলের উন্মাদনায়। গ্যালারির গর্জন, পতাকার ঢেউ, কোটি কোটি মানুষের প্রার্থনা আর স্বপ্নের ভার কাঁধে নিয়ে শুরু হবে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই। উদ্বোধনী বাঁশির প্রথম ফুঁয়ে থমকে যাবে সময়, আর অফিসিয়াল বল ‘ট্রাইওণ্ডা’য় প্রথম কিকের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হবে নতুন ইতিহাস রচনার অভিযান।
এবারের আসর আরও বড়, আরও বিস্তৃত, আরও বৈচিত্র্যময়। ৪৮ দলের অংশগ্রহণে বিশ্বকাপের মানচিত্র পেয়েছে নতুন রূপ। তিন দেশের যৌথ আয়োজনে, ১৬টি ভেন্যুতে, ৩৯ দিনের মহাযজ্ঞে ফুটবল তার সবচেয়ে বর্ণিল উৎসবের মঞ্চ সাজিয়ে তুলেছে। কেউ আসবে শিরোপা ধরে রাখতে, কেউ হারানো গৌরব ফিরে পেতে, কেউ বা প্রথমবারের মতো ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখতে। কতোশত স্বপ্ন, কতোশত পায়ের ধুলোর রেণু চষে বেড়াবে সবুজের গালিচায়।
স্বপ্ন, আবেগ, প্রতিদ্বন্দ্বিতা আর অনিশ্চয়তার এই মহাসমুদ্রে আবারও ভাসবে পুরো বিশ্ব। কারণ বিশ্বকাপ কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি কোটি মানুষের অনুভূতির নাম। মহাদেশ থেকে মহাদশে, সীমান্ত পেরিয়ে মানুষকে এক সুতোয় গেঁথে দেওয়ার এক অনন্য আয়োজন। আর সেই মহোৎসবের পর্দা উঠতে এখন বাকি কেবল কয়েকটি দিন।
আজ পয়লা জুন। শুরু হয়ে গেল বিশ্বকাপের মাস। ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ শুরু হচ্ছে, আগামী ১১ জুন। মেক্সিকোর মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে স্বাগতিক দল ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এই মহাযজ্ঞ। প্রজন্মের সেরা তিন তারকা, মেসি-রোনালদো-নেইমার এবার অংশ নেবেন বিশ্বকাপে। মেসি ও রোনালদোর ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। নেইমারের চতুর্থ। ত্রয়ীর সঙ্গে কিলিয়ান এমবাপ্পে নিজের তৃতীয় বিশ্বকাপে মাঠে নামার অপেক্ষায়। গতবার তিনি জিতেছিলেন গোল্ডেন বুট। ফাইনালে প্রায় শিরোপা পেয়েই গিয়েছিলেন। এছাড়া ভিনিসিয়াস জুনিয়র, লামিন ইয়ামাল, জুড বেলিংহ্যাম, আনরিক হ্যালান্ডের ওপরও বাড়তি নজর থাকবে ফুটবল বিশ্বের।
বিশ্বকাপে বরাবরই কেউ না কেউ চমক দেখায়। গতবার যেমন মরক্কো সেমিফাইনালে উঠে সবাইকে চমকে দিয়েছিল। ডার্ক হর্স এবারও তেমন কিছুই করতে পারে। এছাড়া জাপান, নরওয়ে, কানাডাকেও গোনায় ধরতে হবে। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের অপেক্ষায় জর্ডান, উজবেকিস্তান, কেপ ভার্দে ও কুরাসাও। প্রথমবার তারা বিশ্বমঞ্চে মাঠে নামার প্রহর গুনছে।
চার বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষা, অসংখ্য স্মৃতি, অগণিত আলোচনা আর স্বপ্নের ভার নিয়ে বিশ্বকাপ আবারও ফিরে এসেছে। আগামী কয়েক সপ্তাহে পৃথিবী ভাগ হবে নানা রঙে, নানা পতাকায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবাই এক হবে ফুটবলের ভালোবাসায়। কেউ হাসবে, কেউ কাঁদবে, কেউ ইতিহাস গড়বে, কেউ ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে। আর সেই গল্পগুলোর সাক্ষী হবে কোটি কোটি মানুষ। সেই মহামঞ্চের পর্দা উঠতে এখন বাকি কেবল কয়েকটি দিন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
২০২২ বিশ্বকাপে আলবিসেলেস্তেদের শিরোপা জিতিয়েই মেসি হয়ে ওঠেন অহংকারের প্রতীক। ওই মুহূর্ত, ওই রেশ বুকে নিয়েই ফুটবলপ্রেমীরা পেরিয়ে এসেছে অজুত-নিযুত সময়, অসংখ্য ঋতু, অগণিত সকাল-সন্ধ্যা। প্রকৃতির নিয়মে পূর্বে সূর্য ওঠে পশ্চিমে অস্ত যায়। সময় তার স্বাভাবিক গতিতে বয়ে যায়, আর কমতে থাকে বিশ্বকাপের প্রতীক্ষা। অবশেষে সেই প্রতীক্ষার শেষ অধ্যায় এসে গেছে। গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো।
দেখতে দেখতে বিশ্বকাপ চলে এসেছে একেবারে দুয়ারে। বছর পেরিয়েছে, মাস ফুরিয়েছে, এখন বাকি কেবল কয়েকটি দিন। এরপরই পৃথিবী আবার ডুবে যাবে ফুটবলের উন্মাদনায়। গ্যালারির গর্জন, পতাকার ঢেউ, কোটি কোটি মানুষের প্রার্থনা আর স্বপ্নের ভার কাঁধে নিয়ে শুরু হবে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই। উদ্বোধনী বাঁশির প্রথম ফুঁয়ে থমকে যাবে সময়, আর অফিসিয়াল বল ‘ট্রাইওণ্ডা’য় প্রথম কিকের সঙ্গে সঙ্গে শুরু হবে নতুন ইতিহাস রচনার অভিযান।
এবারের আসর আরও বড়, আরও বিস্তৃত, আরও বৈচিত্র্যময়। ৪৮ দলের অংশগ্রহণে বিশ্বকাপের মানচিত্র পেয়েছে নতুন রূপ। তিন দেশের যৌথ আয়োজনে, ১৬টি ভেন্যুতে, ৩৯ দিনের মহাযজ্ঞে ফুটবল তার সবচেয়ে বর্ণিল উৎসবের মঞ্চ সাজিয়ে তুলেছে। কেউ আসবে শিরোপা ধরে রাখতে, কেউ হারানো গৌরব ফিরে পেতে, কেউ বা প্রথমবারের মতো ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখতে। কতোশত স্বপ্ন, কতোশত পায়ের ধুলোর রেণু চষে বেড়াবে সবুজের গালিচায়।
স্বপ্ন, আবেগ, প্রতিদ্বন্দ্বিতা আর অনিশ্চয়তার এই মহাসমুদ্রে আবারও ভাসবে পুরো বিশ্ব। কারণ বিশ্বকাপ কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি কোটি মানুষের অনুভূতির নাম। মহাদেশ থেকে মহাদশে, সীমান্ত পেরিয়ে মানুষকে এক সুতোয় গেঁথে দেওয়ার এক অনন্য আয়োজন। আর সেই মহোৎসবের পর্দা উঠতে এখন বাকি কেবল কয়েকটি দিন।
আজ পয়লা জুন। শুরু হয়ে গেল বিশ্বকাপের মাস। ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ শুরু হচ্ছে, আগামী ১১ জুন। মেক্সিকোর মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়ামে স্বাগতিক দল ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এই মহাযজ্ঞ। প্রজন্মের সেরা তিন তারকা, মেসি-রোনালদো-নেইমার এবার অংশ নেবেন বিশ্বকাপে। মেসি ও রোনালদোর ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। নেইমারের চতুর্থ। ত্রয়ীর সঙ্গে কিলিয়ান এমবাপ্পে নিজের তৃতীয় বিশ্বকাপে মাঠে নামার অপেক্ষায়। গতবার তিনি জিতেছিলেন গোল্ডেন বুট। ফাইনালে প্রায় শিরোপা পেয়েই গিয়েছিলেন। এছাড়া ভিনিসিয়াস জুনিয়র, লামিন ইয়ামাল, জুড বেলিংহ্যাম, আনরিক হ্যালান্ডের ওপরও বাড়তি নজর থাকবে ফুটবল বিশ্বের।
বিশ্বকাপে বরাবরই কেউ না কেউ চমক দেখায়। গতবার যেমন মরক্কো সেমিফাইনালে উঠে সবাইকে চমকে দিয়েছিল। ডার্ক হর্স এবারও তেমন কিছুই করতে পারে। এছাড়া জাপান, নরওয়ে, কানাডাকেও গোনায় ধরতে হবে। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের অপেক্ষায় জর্ডান, উজবেকিস্তান, কেপ ভার্দে ও কুরাসাও। প্রথমবার তারা বিশ্বমঞ্চে মাঠে নামার প্রহর গুনছে।
চার বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষা, অসংখ্য স্মৃতি, অগণিত আলোচনা আর স্বপ্নের ভার নিয়ে বিশ্বকাপ আবারও ফিরে এসেছে। আগামী কয়েক সপ্তাহে পৃথিবী ভাগ হবে নানা রঙে, নানা পতাকায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবাই এক হবে ফুটবলের ভালোবাসায়। কেউ হাসবে, কেউ কাঁদবে, কেউ ইতিহাস গড়বে, কেউ ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে। আর সেই গল্পগুলোর সাক্ষী হবে কোটি কোটি মানুষ। সেই মহামঞ্চের পর্দা উঠতে এখন বাকি কেবল কয়েকটি দিন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন