প্রখ্যাত গণসংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সংগীত শিক্ষক কামরুদ্দীন আবসার মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (৩০ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার বিআইএসএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কামরুদ্দীন আবসার শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সোমবার সকালে কামরুদ্দীন আবসারের মরদেহ রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হবে। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব চলবে। বিকেলে কামরুদ্দীন আবসারের জানাজা হবে। জানাজার স্থান ও সময় পরিবারের পক্ষ থেকে পরে জানানো হবে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কামরুদ্দীন আবসার দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তিনি ২০১১ সালে স্ট্রোক করেন। এরপর তিনি বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। নিউমোনিয়া ও ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হলে ১৪ মে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।
কামরুদ্দীন আবসার স্ত্রী ও এক সন্তান রেখে গেছেন। তাঁর স্ত্রী কবি ফেরদৌসী বেগম। সন্তান আদনান মুকিত শিশু-কিশোরদের জনপ্রিয় মাসিক ম্যাগাজিন কিশোর আলোর নির্বাহী সম্পাদক।
কামরুদ্দীন আবসার দীর্ঘদিন প্রগতিশীল লেখকসংগঠন ‘বাংলাদেশ লেখক শিবির’-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি সমাজবদলের রাজনৈতিক–সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম ‘গণসংস্কৃতি ফ্রন্ট’-এর একজন সক্রিয় সংগঠক হিসেবে কাজ করেছেন। গণসংগীত দল ‘সৃজন’-এর সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন।
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী কয়লাখনি রক্ষার জন্য ২০০৬ সালে আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। এই আন্দোলনে ‘গণসংস্কৃতি ফ্রন্ট’ থেকে কামরুদ্দীন আবসার অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সোমবার সকালে কামরুদ্দীন আবসারের মরদেহ রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হবে। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব চলবে। বিকেলে কামরুদ্দীন আবসারের জানাজা হবে। জানাজার স্থান ও সময় পরিবারের পক্ষ থেকে পরে জানানো হবে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কামরুদ্দীন আবসার দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। তিনি ২০১১ সালে স্ট্রোক করেন। এরপর তিনি বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। নিউমোনিয়া ও ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হলে ১৪ মে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।
কামরুদ্দীন আবসার স্ত্রী ও এক সন্তান রেখে গেছেন। তাঁর স্ত্রী কবি ফেরদৌসী বেগম। সন্তান আদনান মুকিত শিশু-কিশোরদের জনপ্রিয় মাসিক ম্যাগাজিন কিশোর আলোর নির্বাহী সম্পাদক।
কামরুদ্দীন আবসার দীর্ঘদিন প্রগতিশীল লেখকসংগঠন ‘বাংলাদেশ লেখক শিবির’-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি সমাজবদলের রাজনৈতিক–সাংস্কৃতিক আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম ‘গণসংস্কৃতি ফ্রন্ট’-এর একজন সক্রিয় সংগঠক হিসেবে কাজ করেছেন। গণসংগীত দল ‘সৃজন’-এর সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন।
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী কয়লাখনি রক্ষার জন্য ২০০৬ সালে আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। এই আন্দোলনে ‘গণসংস্কৃতি ফ্রন্ট’ থেকে কামরুদ্দীন আবসার অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন