বরিশালে কালবৈশাখী ঝড়ে পাঁচটি উপজেলার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। গাছপালা উপড়ে পড়ে বিভিন্ন উপজেলায় সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাও ব্যাহত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক ঘরবাড়ি।
বুধবার (২৭ মে) সকালে আকস্মিক এ ঝড়ের কারণে জেলার বাবুগঞ্জ, মুলাদী, হিজলা, মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ঈদের আগের দিন হঠাৎ এমন বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এসব উপজেলার বাসিন্দারা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) এ.বি.এম মিজানুর রহমান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেঘনার তীরবর্তী মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঝড় আঘাত হানে। এতে বিভিন্ন স্থানে গাছপালা উপড়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চুনারচরে হানিফ পোদ্দারের বাড়ির ওপর গাছ পড়ে ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া চুনারচর সরদার বাড়ির সামনে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে। পার্শ্ববর্তী হিজলা উপজেলায়ও ঝড়ে গাছ পড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
মুলাদীর সফিপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা সালাম মৃধা জানান, ‘সকাল সাড়ে ৯টার পর প্রচণ্ড ঝড় বয়ে যায়। এতে গাছপালা পড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
বাবুগঞ্জের কেদাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা ইসরাফিল মল্লিক বলেন, ‘কাল কোরবানি এমন সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।’
এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের বরিশাল ১-এর জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) এ.বি.এম মিজানুর রহমান বলেন, ‘ঝড়ের কারণে মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, মুলাদী বাকেরগঞ্জ ও বাবুগঞ্জ উপজেলার এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে টেকনিশিয়ানদের সকলের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘মেহেন্দীগঞ্জের উলানিয়া ও হিজলায় বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে। এ ছাড়া পৌরসভার চুনারচর এলাকায়ও খুঁটি ভেঙে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের লাইন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বুধবার রাতের মধ্যে দুয়েকটি উপজেলার কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করা সম্ভব হলেও পুরো বিদ্যুৎ সংযোগে সময় লাগবে।
এদিকে বরিশাল আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক মো. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘বুধবার সকালে ১৫ থেকে ২০ নটিক্যাল মাইল বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়েছে। এ ছাড়া সকাল থেকে ১৩ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।’
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
বুধবার (২৭ মে) সকালে আকস্মিক এ ঝড়ের কারণে জেলার বাবুগঞ্জ, মুলাদী, হিজলা, মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ উপজেলার বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ঈদের আগের দিন হঠাৎ এমন বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এসব উপজেলার বাসিন্দারা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) এ.বি.এম মিজানুর রহমান।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেঘনার তীরবর্তী মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঝড় আঘাত হানে। এতে বিভিন্ন স্থানে গাছপালা উপড়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চুনারচরে হানিফ পোদ্দারের বাড়ির ওপর গাছ পড়ে ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া চুনারচর সরদার বাড়ির সামনে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে। পার্শ্ববর্তী হিজলা উপজেলায়ও ঝড়ে গাছ পড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
মুলাদীর সফিপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা সালাম মৃধা জানান, ‘সকাল সাড়ে ৯টার পর প্রচণ্ড ঝড় বয়ে যায়। এতে গাছপালা পড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
বাবুগঞ্জের কেদাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা ইসরাফিল মল্লিক বলেন, ‘কাল কোরবানি এমন সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।’
এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের বরিশাল ১-এর জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) এ.বি.এম মিজানুর রহমান বলেন, ‘ঝড়ের কারণে মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, মুলাদী বাকেরগঞ্জ ও বাবুগঞ্জ উপজেলার এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে টেকনিশিয়ানদের সকলের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘মেহেন্দীগঞ্জের উলানিয়া ও হিজলায় বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে। এ ছাড়া পৌরসভার চুনারচর এলাকায়ও খুঁটি ভেঙে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুতের লাইন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বুধবার রাতের মধ্যে দুয়েকটি উপজেলার কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করা সম্ভব হলেও পুরো বিদ্যুৎ সংযোগে সময় লাগবে।
এদিকে বরিশাল আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক মো. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘বুধবার সকালে ১৫ থেকে ২০ নটিক্যাল মাইল বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়েছে। এ ছাড়া সকাল থেকে ১৩ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।’
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে