দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মারা গেছে ৫৬০ শিশু। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৫৬ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। বুধবার (২৭ মে) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৪৭২ জন শিশু এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৮৮ জন শিশু।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় যে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ২ জন ঢাকা বিভাগে, ২ জন ময়মনসিংহ বিভাগে এবং রাজশাহী বিভাগে একজন।
এ সময়ের মধ্যে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৩৩ জন শিশু। ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৮৫ জন ঢাকা বিভাগের। এরপর চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬৬ জন, বরিশালে ১৪০ জন এবং খুলনায় ৯৮ জন শিশু ভর্তি হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ হাজার ১০৩ জন শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। এরপর গত ৭৩ দিনে দেশে মোট ৬৭ হাজার ৭৯ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এ সময় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫৩ হাজার ৪৬৩ জন। নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৮৩৪ জনের। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৯ হাজার ৯০৩ জন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৪৭২ জন শিশু এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৮৮ জন শিশু।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় যে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ২ জন ঢাকা বিভাগে, ২ জন ময়মনসিংহ বিভাগে এবং রাজশাহী বিভাগে একজন।
এ সময়ের মধ্যে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৩৩ জন শিশু। ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৮৫ জন ঢাকা বিভাগের। এরপর চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬৬ জন, বরিশালে ১৪০ জন এবং খুলনায় ৯৮ জন শিশু ভর্তি হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ হাজার ১০৩ জন শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ দেশে প্রথম হাম রোগী শনাক্ত হয়। এরপর গত ৭৩ দিনে দেশে মোট ৬৭ হাজার ৭৯ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এ সময় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫৩ হাজার ৪৬৩ জন। নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৮৩৪ জনের। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৪৯ হাজার ৯০৩ জন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে