সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের ৪০টি গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রায় বুধবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন পীর মাওলানা আরিফ চৌধুরী।
একই দিন সকাল ৯টায় সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাঁরা পশু কোরবানি করেন।
১৯২৮ সালে সাদ্রা দরবার শরিফের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইসহাক চৌধুরী সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে প্রথম চাঁদ দেখার ভিত্তিতে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালনের প্রথা চালু করেন। তখন থেকেই এই রেওয়াজ অনুসরণ করছেন চাঁদপুরের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা।
সাদ্রা পীর মাওলানা আরিফ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা সারা বিশ্বের সঙ্গে মিল রেখে প্রথম চন্দ্রদর্শনের ভিত্তিতে ঈদ উদযাপন করি। একদিন আগেই ঈদ করি, এ কথাটি সঠিক নয়। বাংলাদেশ সরকারের ঘোষণা না থাকার কারণে মানুষ একসঙ্গে করতে পারছে না। আমরা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের সঙ্গে আজ ঈদ উদযাপন করছি। বাংলাদেশের জনগণ ধীরে ধীরে বিষয়টি বুঝতে পারছে। সে কারণে ঈদের জামাত দিন দিন বাড়ছে।’
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ এবং মতলব উত্তর উপজেলার অন্তর্গত অর্ধশতাধিক গ্রামে আজ ঈদ উদযাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সাদ্রা, বলাখাল, অলিপুর, সমেশপুর, প্রতাপপুর, মনিহার, বাসারা, লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উটতলি, কাইতাড়া, বদরপুর, মুন্সিরহাট, শোল্লা, গোবিন্দপুর, মোহনপুর, দশানী, পাঁচানীসহ আরও অনেক গ্রাম।
এসব গ্রামে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় ও পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে ধর্মীয় আবহে উদযাপন করা হচ্ছে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান এ ধর্মীয় উৎসব।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
একই দিন সকাল ৯টায় সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাঁরা পশু কোরবানি করেন।
১৯২৮ সালে সাদ্রা দরবার শরিফের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইসহাক চৌধুরী সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে প্রথম চাঁদ দেখার ভিত্তিতে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালনের প্রথা চালু করেন। তখন থেকেই এই রেওয়াজ অনুসরণ করছেন চাঁদপুরের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা।
সাদ্রা পীর মাওলানা আরিফ চৌধুরী বলেন, ‘আমরা সারা বিশ্বের সঙ্গে মিল রেখে প্রথম চন্দ্রদর্শনের ভিত্তিতে ঈদ উদযাপন করি। একদিন আগেই ঈদ করি, এ কথাটি সঠিক নয়। বাংলাদেশ সরকারের ঘোষণা না থাকার কারণে মানুষ একসঙ্গে করতে পারছে না। আমরা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের সঙ্গে আজ ঈদ উদযাপন করছি। বাংলাদেশের জনগণ ধীরে ধীরে বিষয়টি বুঝতে পারছে। সে কারণে ঈদের জামাত দিন দিন বাড়ছে।’
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ এবং মতলব উত্তর উপজেলার অন্তর্গত অর্ধশতাধিক গ্রামে আজ ঈদ উদযাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সাদ্রা, বলাখাল, অলিপুর, সমেশপুর, প্রতাপপুর, মনিহার, বাসারা, লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উটতলি, কাইতাড়া, বদরপুর, মুন্সিরহাট, শোল্লা, গোবিন্দপুর, মোহনপুর, দশানী, পাঁচানীসহ আরও অনেক গ্রাম।
এসব গ্রামে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় ও পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে ধর্মীয় আবহে উদযাপন করা হচ্ছে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান এ ধর্মীয় উৎসব।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে