পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রায় পাঁচ হাজার পরিবার বুধবার (২৭ মে) ঈদ-উল-আযহা উদযাপন করছে। প্রতি বছরের মত সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে তারা ঈদ উদযাপন করছেন। ধানখালী ইউনিয়নের উত্তর নিশানবাড়িয়া জাহাগিরিয়া, শাহ্সূফি মমতাজিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গনে এই অনুসারীদের ঈদের নামাজের প্রধান জামাত সকাল আটটায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজে ইমামতি করেছেন হাফেজ মো: এমদাদ হোসেন। অনুসারিরা এ খবর নিশ্চিত করেছেন। ধানখালী দরবার শরীফে শত শত অনুসারি প্রধান জামায়াতে অংশ গ্রহণ করেন।
এছাড়া কলাপাড়া পৌর শহরের নাইয়াপট্টি, উত্তর লালুয়া মাঝিবাড়ি, চিঙ্গরিয়া, চালিতাবুনিয়া, ফুলতলী, ইটবাড়িয়াসহ বিভিন্ন স্পটে আরও আটটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অনুসারিরা আগেই কোরবানির পশুসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনেছেন। পরিবারগুলোর সদস্যদের মাঝে বিরাজ করছে ঈদের পূর্ণ আমেজ।
নিশানবাড়িয়া দরবার শরীফের পরিচালক মোঃ নিজাম উদ্দিন বিশ্বাস জানান, তারা চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চন নগর ইউনিয়নের পশ্চিম এলাহাবাদ গ্রামের সিলসিলায়ে আলীয়া কাদরিয়া চিশতিয়া জাহাগিরিয়িা তরিকতের অনুসারী।
নিজাম বিশ্বাস বলেন, অনেক গণমাধ্যমে সংবাদপ্রচার হয় একদিন আগেই ঈদ পালন করি আমরা। মূলত হজ্জের শেষে কোরবানি করা হয়, এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর সারা পৃথিবীতে চাঁদ দ্যাখে,সৌদি আরবও চাঁদ দেখেই ঈদ, কোরবানি পালন করে। আমরাও করি। সেখানে একদিন আগে বলতে কোন কিছু নেই।’
স্থানীয় ভাষায় এদেরকে চাঁদ টুপির অনুসারী বলা হয়। নিশানবাড়িয়া, গন্ডামারি, মরিচবুনিয়া, চালিতাবুনিয়া, ছইলাবুনিয়া, সেনের হাওলা, পৌর শহরের নাইয়াপট্টি, বাদুরতলী, তেগাছিয়া, সাফাখালী, চরপাড়া, আজিমদ্দিন গ্রামে প্রায় পাঁচ হাজার পরিবারে ১৫ হাজার লোক বসবাস করছেন। বরাবরের মতো বুধবার তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ ঈদ-উল-আযহা উদযাপন করছেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
এছাড়া কলাপাড়া পৌর শহরের নাইয়াপট্টি, উত্তর লালুয়া মাঝিবাড়ি, চিঙ্গরিয়া, চালিতাবুনিয়া, ফুলতলী, ইটবাড়িয়াসহ বিভিন্ন স্পটে আরও আটটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অনুসারিরা আগেই কোরবানির পশুসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনেছেন। পরিবারগুলোর সদস্যদের মাঝে বিরাজ করছে ঈদের পূর্ণ আমেজ।
নিশানবাড়িয়া দরবার শরীফের পরিচালক মোঃ নিজাম উদ্দিন বিশ্বাস জানান, তারা চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চন নগর ইউনিয়নের পশ্চিম এলাহাবাদ গ্রামের সিলসিলায়ে আলীয়া কাদরিয়া চিশতিয়া জাহাগিরিয়িা তরিকতের অনুসারী।
নিজাম বিশ্বাস বলেন, অনেক গণমাধ্যমে সংবাদপ্রচার হয় একদিন আগেই ঈদ পালন করি আমরা। মূলত হজ্জের শেষে কোরবানি করা হয়, এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর সারা পৃথিবীতে চাঁদ দ্যাখে,সৌদি আরবও চাঁদ দেখেই ঈদ, কোরবানি পালন করে। আমরাও করি। সেখানে একদিন আগে বলতে কোন কিছু নেই।’
স্থানীয় ভাষায় এদেরকে চাঁদ টুপির অনুসারী বলা হয়। নিশানবাড়িয়া, গন্ডামারি, মরিচবুনিয়া, চালিতাবুনিয়া, ছইলাবুনিয়া, সেনের হাওলা, পৌর শহরের নাইয়াপট্টি, বাদুরতলী, তেগাছিয়া, সাফাখালী, চরপাড়া, আজিমদ্দিন গ্রামে প্রায় পাঁচ হাজার পরিবারে ১৫ হাজার লোক বসবাস করছেন। বরাবরের মতো বুধবার তারা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ ঈদ-উল-আযহা উদযাপন করছেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে