ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনায় অনেক বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো গেলেও এর মানে এই নয় যে তেহরান একটি চুক্তি স্বাক্ষরের কাছাকাছি আছে।
সোমবার (২৫ মে) তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি বলেন, চলমান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসি যুদ্ধের অবসান। এ আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা চূড়ান্ত করতে কোনো সময়সীমা নির্ধারিত হয়নি।
আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবির প্রতিক্রিয়ায় বাকায়ি জানান, গত কয়েকদিনে যে অগ্রগতির খবর এসেছে তা পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া গত কয়েক সপ্তাহের আলোচনার ফল।
ইরান যুদ্ধ অবসানের জন্য আলোচনা করলেও এখন পারমাণবিক বিষয়টি নিয়ে কোনো আলোচনা করছে না বলে জানান তিনি, খবর রয়টার্সের।
মার্কিন কর্মকর্তাদের অবস্থানের পরিবর্তন হলে যে কোনো চুক্তির জন্য সমস্যা তৈরি হবে বলে সতর্ক করেন তিনি। এ ক্ষেত্রে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পদত্যাগের ঢেউ, কংগ্রেসের বিরোধিতা, জনমত ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের চাপের দিকে ইঙ্গিত করেন। এ পরিস্থিতি জায়নবাদী শাসনসহ নির্দিষ্ট কিছু পক্ষের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি করেছে বলে অনুযোগ করেন তিনি।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, যত দ্রুত সম্ভব ইরানি জাতির অধিকার সুরক্ষিত করে এমন একটি সমাধানে পৌঁছতে তেহরান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তেহরানের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা।
তিনি জানান, এমন বিষয় রক্ষা করে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হলে তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রকাশ করা হবে।
এই পর্যায়ে ইরান পারমাণবিক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছে না আর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১৪ অনুচ্ছেদের সমঝোতা স্মারকে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর দিকেই মনোযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে ভারতের নয়া দিল্লিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে হয় একটি ভালো চুক্তি করবে অথবা দেশটিকে মোকাবেলায় ‘অন্য পথ’ খুঁজে বের করবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘বিকল্প পথ’ খোঁজার আগে কূটনীতিকে সফল করার সবরকম সুযোগ দেবে।
শনিবার প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, ইরানের সঙ্গে চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে, কেবল ঘোষণার অপেক্ষা। কিন্তু রোববার ট্রাম্প আলোচনার দায়িত্বে থাকা মার্কিন প্রতিনিধিদলকে ইরানের সঙ্গে চুক্তি করা নিয়ে কোনও তাড়াহুড়া না করার নির্দেশনা দিয়েছেন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
সোমবার (২৫ মে) তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি বলেন, চলমান আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসি যুদ্ধের অবসান। এ আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা চূড়ান্ত করতে কোনো সময়সীমা নির্ধারিত হয়নি।
আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবির প্রতিক্রিয়ায় বাকায়ি জানান, গত কয়েকদিনে যে অগ্রগতির খবর এসেছে তা পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া গত কয়েক সপ্তাহের আলোচনার ফল।
ইরান যুদ্ধ অবসানের জন্য আলোচনা করলেও এখন পারমাণবিক বিষয়টি নিয়ে কোনো আলোচনা করছে না বলে জানান তিনি, খবর রয়টার্সের।
মার্কিন কর্মকর্তাদের অবস্থানের পরিবর্তন হলে যে কোনো চুক্তির জন্য সমস্যা তৈরি হবে বলে সতর্ক করেন তিনি। এ ক্ষেত্রে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পদত্যাগের ঢেউ, কংগ্রেসের বিরোধিতা, জনমত ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের চাপের দিকে ইঙ্গিত করেন। এ পরিস্থিতি জায়নবাদী শাসনসহ নির্দিষ্ট কিছু পক্ষের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি করেছে বলে অনুযোগ করেন তিনি।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, যত দ্রুত সম্ভব ইরানি জাতির অধিকার সুরক্ষিত করে এমন একটি সমাধানে পৌঁছতে তেহরান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তেহরানের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা।
তিনি জানান, এমন বিষয় রক্ষা করে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হলে তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রকাশ করা হবে।
এই পর্যায়ে ইরান পারমাণবিক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছে না আর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১৪ অনুচ্ছেদের সমঝোতা স্মারকে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর দিকেই মনোযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে ভারতের নয়া দিল্লিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে হয় একটি ভালো চুক্তি করবে অথবা দেশটিকে মোকাবেলায় ‘অন্য পথ’ খুঁজে বের করবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘বিকল্প পথ’ খোঁজার আগে কূটনীতিকে সফল করার সবরকম সুযোগ দেবে।
শনিবার প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, ইরানের সঙ্গে চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে, কেবল ঘোষণার অপেক্ষা। কিন্তু রোববার ট্রাম্প আলোচনার দায়িত্বে থাকা মার্কিন প্রতিনিধিদলকে ইরানের সঙ্গে চুক্তি করা নিয়ে কোনও তাড়াহুড়া না করার নির্দেশনা দিয়েছেন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে