আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে রাজধানীমুখী পশুবাহী যানবাহনের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। তবে ঘাট এলাকায় ঘরমুখো যাত্রী বা সাধারণ যানবাহনের কোনো বাড়তি চাপ দেখা যায়নি। পর্যাপ্ত ফেরি চলাচল করায় উভয় ঘাটে বাড়তি চাপ ছাড়াই যানবাহন ও যাত্রীরা পারাপার হচ্ছেন। রবিবার (২৪ মে) দুপুর দেড়টার দিকে পাটুরিয়া ঘাট এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বারেক মিয়া নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, রাজবাড়ি ও ফরিদপুরের বিভিন্ন হাট থেকে গরু কিনে ঢাকায় গাবতলী পশুর হাটে নিয়ে যাচ্ছি। আজকে আসার পথে পাটুরিয়া ঘাটে তেমন কোনো ভোগান্তি হয়নি। ফেরিও সহজেই পেয়েছি। তবে সকাল থেকে ট্রাকের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে। সামনে ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, এই চাপ আরো বাড়বে বলে মনে হচ্ছে।
সিরাজুল ইসলাম নামের এক বাসযাত্রী বলেন, ঈদের ছুটি সামনে থাকায় আগে ভাগেই পরিবারের সঙ্গে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছি। অফিসে কাজ থাকলেও ছুটি নিয়ে বের হয়েছি, কারণ শেষ সময় ভিড় অনেক বেড়ে যায়। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও বিকেল বা সন্ধ্যার পর ঘাট এলাকায় চাপ বাড়তে পারে। তখন পরিবার নিয়ে চলাচল করতে ভোগান্তি হতে পারে সেই চিন্তা থেকেই আগেই রওনা হয়েছি।
গোল্ডেন লাইন পরিবহনের চালক কালাম মিয়া বলেন, সকালের দিকে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ কম ছিল, তাই খুব সহজেই ঘাটে আসা-যাওয়া করা গেছে। তবে এখন ধীরে ধীরে গাড়ির সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে পশুবাহী ট্রাক বেশি দেখা যাচ্ছে। বিকেলের পর থেকে ঘরমুখো মানুষের চাপও বাড়তে পারে। তখন ফেরি থাকলেও ঘাট এলাকায় কিছুটা চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সালাম হোসেন বলেন, ঈদকে সামনে রেখে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। বর্তমানে ১৭টি ফেরি চলাচল করছে এবং যানবাহন পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে। ঢাকামুখী পশুবাহী যানবাহনের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে, তবে এতে ঘাট এলাকায় কোনো ধরনের যানজট বা ভোগান্তি তৈরি হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা সার্বক্ষণিক নজরদারি করছি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
বারেক মিয়া নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, রাজবাড়ি ও ফরিদপুরের বিভিন্ন হাট থেকে গরু কিনে ঢাকায় গাবতলী পশুর হাটে নিয়ে যাচ্ছি। আজকে আসার পথে পাটুরিয়া ঘাটে তেমন কোনো ভোগান্তি হয়নি। ফেরিও সহজেই পেয়েছি। তবে সকাল থেকে ট্রাকের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে। সামনে ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, এই চাপ আরো বাড়বে বলে মনে হচ্ছে।
সিরাজুল ইসলাম নামের এক বাসযাত্রী বলেন, ঈদের ছুটি সামনে থাকায় আগে ভাগেই পরিবারের সঙ্গে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছি। অফিসে কাজ থাকলেও ছুটি নিয়ে বের হয়েছি, কারণ শেষ সময় ভিড় অনেক বেড়ে যায়। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও বিকেল বা সন্ধ্যার পর ঘাট এলাকায় চাপ বাড়তে পারে। তখন পরিবার নিয়ে চলাচল করতে ভোগান্তি হতে পারে সেই চিন্তা থেকেই আগেই রওনা হয়েছি।
গোল্ডেন লাইন পরিবহনের চালক কালাম মিয়া বলেন, সকালের দিকে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ কম ছিল, তাই খুব সহজেই ঘাটে আসা-যাওয়া করা গেছে। তবে এখন ধীরে ধীরে গাড়ির সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে পশুবাহী ট্রাক বেশি দেখা যাচ্ছে। বিকেলের পর থেকে ঘরমুখো মানুষের চাপও বাড়তে পারে। তখন ফেরি থাকলেও ঘাট এলাকায় কিছুটা চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সালাম হোসেন বলেন, ঈদকে সামনে রেখে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। বর্তমানে ১৭টি ফেরি চলাচল করছে এবং যানবাহন পারাপার স্বাভাবিক রয়েছে। ঢাকামুখী পশুবাহী যানবাহনের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে, তবে এতে ঘাট এলাকায় কোনো ধরনের যানজট বা ভোগান্তি তৈরি হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা সার্বক্ষণিক নজরদারি করছি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন