রাজধানীর মিরপুরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে তিনি বৃহস্পতিবার (২১ মে) এ নির্দেশনা দেন।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. রেজাউল করিম এ তথ্য জানান।
ড. রেজাউল করিম আরো জানিয়েছেন, একইসঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার কাজ সম্পন্ন করতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেছেন আইনমন্ত্রী।
আইন মন্ত্রণালয়ের একই কর্মকর্তা বলেন, আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নৃশংস ঘটনার বিচারকাজ সম্পন্ন করতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ঘটনার মূল আসামি সোহেল রানা (৩৪) বুধবার (২০ মে) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি বলেছেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। অপরাধ গোপন ও মরদেহ সরিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে তিনি লাশ খণ্ডবিখণ্ড করার চেষ্টা করেছিল।
জবানবন্দি শেষে আদালত সোহেল রানাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই ঘটনায় সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর একটি বাড়ির তিনতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর জানালার গ্রিল ভেঙে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার এজাহারে শিশুটির বাবা উল্লেখ করেন, তাঁর ধারণা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। সূত্র: বাসস
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে তিনি বৃহস্পতিবার (২১ মে) এ নির্দেশনা দেন।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. রেজাউল করিম এ তথ্য জানান।
ড. রেজাউল করিম আরো জানিয়েছেন, একইসঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার কাজ সম্পন্ন করতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বলেছেন আইনমন্ত্রী।
আইন মন্ত্রণালয়ের একই কর্মকর্তা বলেন, আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই নৃশংস ঘটনার বিচারকাজ সম্পন্ন করতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ঘটনার মূল আসামি সোহেল রানা (৩৪) বুধবার (২০ মে) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি বলেছেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। অপরাধ গোপন ও মরদেহ সরিয়ে ফেলার উদ্দেশ্যে তিনি লাশ খণ্ডবিখণ্ড করার চেষ্টা করেছিল।
জবানবন্দি শেষে আদালত সোহেল রানাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই ঘটনায় সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর একটি বাড়ির তিনতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর জানালার গ্রিল ভেঙে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার এজাহারে শিশুটির বাবা উল্লেখ করেন, তাঁর ধারণা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। সূত্র: বাসস
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে