শান্তি আলোচনা চলাকালীন ইরানের তেল বিক্রির নিষেধাজ্ঞা স্থগিত রাখার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র রাজি হয়েছে বলে ইরানি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে।
চলমান শান্তি আলোচনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একজনের বরাতে এ খবর দিয়েছে সংবাদ সংস্থা তাসনিম।
ইরান শুরু থেকেই বলে আসছে, তাদের ওপর থেকে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতিতে থাকতে হবে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্ত সমঝোতার আগ পর্যন্ত এসব নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিলের প্রস্তাব দিয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মিলে ইরানে হামলা শুরু করে। এতে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষের। নিহতের তালিকায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও আছেন।
এদিকে পাল্টা হামলায় ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে নিশানা বানিয়েছে ইরান।
জর্ডান, ইরাক, সৌদি আরব, বাহরাইন, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ প্রায় এক ডজন দেশে হামলা চালিয়েছে তারা।
এ যুদ্ধে প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি স্থবির হয়ে পড়েছে পশ্চিম এশিয়ার বিমান পরিবহন ব্যবস্থা; হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকায় অস্থিরতা তৈরি হয়েছে জ্বালানি পণ্যের বৈশ্বিক বাজারে।যুদ্ধের ৪০ দিনের মাথায় গত ৮ এপ্রিল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় দুই দেশ। সেই দুই সপ্তাহ শেষ হওয়ার ঘণ্টা কয়েক আগে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা দেন ট্রাম্প।
কিন্তু যুদ্ধবিরতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালি ঘিরে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবরোধ ও অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে। মাঝে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনা চললেও এখনও দুপক্ষের মধ্যে কোনো চুক্তি হয়নি।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
চলমান শান্তি আলোচনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একজনের বরাতে এ খবর দিয়েছে সংবাদ সংস্থা তাসনিম।
ইরান শুরু থেকেই বলে আসছে, তাদের ওপর থেকে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতিতে থাকতে হবে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্ত সমঝোতার আগ পর্যন্ত এসব নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিলের প্রস্তাব দিয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মিলে ইরানে হামলা শুরু করে। এতে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষের। নিহতের তালিকায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও আছেন।
এদিকে পাল্টা হামলায় ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে নিশানা বানিয়েছে ইরান।
জর্ডান, ইরাক, সৌদি আরব, বাহরাইন, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ প্রায় এক ডজন দেশে হামলা চালিয়েছে তারা।
এ যুদ্ধে প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি স্থবির হয়ে পড়েছে পশ্চিম এশিয়ার বিমান পরিবহন ব্যবস্থা; হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকায় অস্থিরতা তৈরি হয়েছে জ্বালানি পণ্যের বৈশ্বিক বাজারে।যুদ্ধের ৪০ দিনের মাথায় গত ৮ এপ্রিল দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয় দুই দেশ। সেই দুই সপ্তাহ শেষ হওয়ার ঘণ্টা কয়েক আগে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা দেন ট্রাম্প।
কিন্তু যুদ্ধবিরতির মধ্যেই হরমুজ প্রণালি ঘিরে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবরোধ ও অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে। মাঝে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনা চললেও এখনও দুপক্ষের মধ্যে কোনো চুক্তি হয়নি।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে