গত এক সপ্তাহে প্রতি ডজন ডিমের দাম বেড়েছে ২০ টাকা। আর এক মাসের মধ্যে ডজনে দাম বেড়েছে ৩০-৪০ টাকা। এ নিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ মানুষজন। ডিমের চড়া দামের কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের প্রোটিন ও সাধারণ পুষ্টির চাহিদা পূরণ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। মাছ ও মাংসের আকাশচুম্বী দামের কারণে সাধারণ মানুষ যে পুষ্টির ঘাটতি মেটাতে ডিমের ওপর নির্ভর করতেন, তা বেড়ে এখন ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। অথচ খামারিরা বলছেন, দাম বাড়া নিয়ে এত শোরগোল কেন।
খামারিরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে ডিমের কম দাম থাকায় অনেক লেয়ার খামারি লোকসানের মুখে পড়েছেন। ফলে পোলট্রি খাতের অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা খামার বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন। বিভিন্ন অঞ্চলে মুরগির রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় অন্তত ২০ শতাংশ খামার বন্ধ হয়ে গেছে। যা সরাসরি ডিমের উৎপাদনে বড় প্রভাব ফেলেছে। সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে খামার থেকে বাজারে ডিম নিয়ে আসার পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটিও দাম বাড়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একাধিক ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির কারণে ডিমের নিয়মিত সরবরাহে সাময়িক ব্যাঘাত ঘটেছে, যা পাইকারি বাজারে দামের ওপর চাপ তৈরি করেছে। সরবরাহ কমে যাওয়ার বিপরীতে উচ্চ চাহিদা তৈরি হওয়ায় খুচরা ও পাইকারি উভয় বাজারে ডিমের দাম বাড়ানো হয়েছে।
রাজশাহীর পবা উপজেলার মড়িয়া গ্রামের পোলট্রি খামারি হামিম আহমেদ, ‘খামার থেকে আজ সাদা ডিমের পিস ৯ টাকা ৪০ পয়সা এবং লাল ডিম ১০ টাকা ৬০ পয়সা বিক্রি করেছি। এক মাস আগে সাদা ডিমের পিস ৭ টাকা ৪০ পয়সা এবং লাল ৯ টাকায় বিক্রি করেছি।’
ডিমের দাম বাড়ানোর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘মুরগির খাদ্য, ওষুধ, ব্যাংকের সুদ, জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন জিনিসের দাম বেড়েছে। এ ছাড়া গত তিন মাসে অনেকগুলো মুরগি মারা গেছে। এতে ব্যাপক লোকসান হয়েছে। এতদিন কেউ খবর নেয়নি, আর এখন ডিমের দাম একটু বাড়ায় চারদিকে হইচই পড়ে গেছে। লোকসান দিতে দিতে এমন অবস্থা হয়ে গিয়েছিল যে, নিজের ছেলের স্কুলড্রেসটা কিনতে পারিনি।’
বাঘা উপজেলার গড়গড়ি ইউনিয়নের খায়েরহাট গ্রামের পোলট্রি খামারি বাবুল ইসলাম বলেন, ‘লাল ডিমের পিস ১০ টাকা ৬০ পয়সা বিক্রি করছি। এক মাস আগে একই ডিম ৭ টাকা ২০ পয়সা বিক্রি করেছিলাম।’
কেন ডিমের দাম বাড়িয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে বাবুল ইসলাম বলেন, ‘মুরগির খাদ্য, ওষুধসহ অন্যান্য জিনিসের দাম বাড়ায় আমাদেরও বাড়াতে হয়েছে। আবার যারা আমাদের কাছ থেকে কিনে নিয়ে যান তাদের একটা সিন্ডিকেট আছে। আমরা কম দামে বিক্রি করলেও তারা সিন্ডিকেট করে বেশি দামে বিক্রি করে।’
খুলনার ফারজানা পোলট্রি খামারির মালিক আবদুল মান্নান বলেন, ‘৫০ কেজির এক বস্তা মুরগির খাবারে ১২৫ টাকা বেড়েছে। গত এক মাসে অনেক মুরগি মারা গেছে গরমে। কারণ বিদ্যুৎ থাকে না। ফলে ডিমের দাম বেড়েছে এক সপ্তাহ হলো। আগে ছয় মাস আমরা লোকসান দিয়ে ডিম বিক্রি করেছি। তখন তো এত শোরগোল হয়নি। যখন আমরা লোকসান কমাতে দাম বাড়ালাম তখন শোরগোল শুরু হলো। খামার থেকে সাদা ডিম সাড়ে ১০ টাকা ও লাল ডিম সোয়া ১১ টাকা পিস দরে পাইকারি বিক্রি করছি।’
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
খামারিরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে ডিমের কম দাম থাকায় অনেক লেয়ার খামারি লোকসানের মুখে পড়েছেন। ফলে পোলট্রি খাতের অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা খামার বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন। বিভিন্ন অঞ্চলে মুরগির রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় অন্তত ২০ শতাংশ খামার বন্ধ হয়ে গেছে। যা সরাসরি ডিমের উৎপাদনে বড় প্রভাব ফেলেছে। সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে খামার থেকে বাজারে ডিম নিয়ে আসার পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটিও দাম বাড়ার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
একাধিক ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির কারণে ডিমের নিয়মিত সরবরাহে সাময়িক ব্যাঘাত ঘটেছে, যা পাইকারি বাজারে দামের ওপর চাপ তৈরি করেছে। সরবরাহ কমে যাওয়ার বিপরীতে উচ্চ চাহিদা তৈরি হওয়ায় খুচরা ও পাইকারি উভয় বাজারে ডিমের দাম বাড়ানো হয়েছে।
রাজশাহীর পবা উপজেলার মড়িয়া গ্রামের পোলট্রি খামারি হামিম আহমেদ, ‘খামার থেকে আজ সাদা ডিমের পিস ৯ টাকা ৪০ পয়সা এবং লাল ডিম ১০ টাকা ৬০ পয়সা বিক্রি করেছি। এক মাস আগে সাদা ডিমের পিস ৭ টাকা ৪০ পয়সা এবং লাল ৯ টাকায় বিক্রি করেছি।’
ডিমের দাম বাড়ানোর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘মুরগির খাদ্য, ওষুধ, ব্যাংকের সুদ, জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন জিনিসের দাম বেড়েছে। এ ছাড়া গত তিন মাসে অনেকগুলো মুরগি মারা গেছে। এতে ব্যাপক লোকসান হয়েছে। এতদিন কেউ খবর নেয়নি, আর এখন ডিমের দাম একটু বাড়ায় চারদিকে হইচই পড়ে গেছে। লোকসান দিতে দিতে এমন অবস্থা হয়ে গিয়েছিল যে, নিজের ছেলের স্কুলড্রেসটা কিনতে পারিনি।’
বাঘা উপজেলার গড়গড়ি ইউনিয়নের খায়েরহাট গ্রামের পোলট্রি খামারি বাবুল ইসলাম বলেন, ‘লাল ডিমের পিস ১০ টাকা ৬০ পয়সা বিক্রি করছি। এক মাস আগে একই ডিম ৭ টাকা ২০ পয়সা বিক্রি করেছিলাম।’
কেন ডিমের দাম বাড়িয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে বাবুল ইসলাম বলেন, ‘মুরগির খাদ্য, ওষুধসহ অন্যান্য জিনিসের দাম বাড়ায় আমাদেরও বাড়াতে হয়েছে। আবার যারা আমাদের কাছ থেকে কিনে নিয়ে যান তাদের একটা সিন্ডিকেট আছে। আমরা কম দামে বিক্রি করলেও তারা সিন্ডিকেট করে বেশি দামে বিক্রি করে।’
খুলনার ফারজানা পোলট্রি খামারির মালিক আবদুল মান্নান বলেন, ‘৫০ কেজির এক বস্তা মুরগির খাবারে ১২৫ টাকা বেড়েছে। গত এক মাসে অনেক মুরগি মারা গেছে গরমে। কারণ বিদ্যুৎ থাকে না। ফলে ডিমের দাম বেড়েছে এক সপ্তাহ হলো। আগে ছয় মাস আমরা লোকসান দিয়ে ডিম বিক্রি করেছি। তখন তো এত শোরগোল হয়নি। যখন আমরা লোকসান কমাতে দাম বাড়ালাম তখন শোরগোল শুরু হলো। খামার থেকে সাদা ডিম সাড়ে ১০ টাকা ও লাল ডিম সোয়া ১১ টাকা পিস দরে পাইকারি বিক্রি করছি।’
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন