টাঙ্গাইলে প্রবল ঝড়-বৃষ্টির কারণে বৈল্লা বিদ্যুৎ গ্রিডের দুটি কয়েল পুড়ে ১৩২ কেভির (কিলোভোল্ট) সঞ্চালন লাইন বন্ধ হয়ে গেছে। এতে সোমবার (১৮ মে) ভোর পাঁচটা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত টানা ছয় ঘণ্টা পুরো জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
পিডিপির সূত্রে জানা যায়, রাতে টাঙ্গাইলে প্রচণ্ড ঝড় বৃষ্টি হয়। এসময় অনেক বজ্রপাতও হয়। এতে সদর উপজেলা বৈল্লা বিদ্যুৎ গ্রিডের দুইটি কয়েল পুড়ে যায়। এর ফলে সেখান থেকে বিদ্যুৎ সাপ্লাই না হওয়াতে ১৩২ কেভির লাইন পুরোটাই বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে পুরো জেলার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (সোমবার সকাল ১১টা পর্যন্ত) বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।
এদিকে বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার কার্যক্রম। বিকল্প ব্যবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিলেও এমন অবস্থা চলতে থাকলে হাসপাতালসহ জরুরি সেবাখাতে মারাত্মক প্রভাব পড়বে।
স্থানীয়রা জানায়, বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজের খাদ্যসামগ্রী নষ্ট হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। মোটর দিয়ে পানি তুলতে না পারায় গোসল করতে পারছেন না। বাইরে থেকে পানি এনে কাজ করতে হচ্ছে।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তত্ত্বাবধানে সাদিকুর রহমান বলেন, সকাল থেকেই বিদ্যুৎ নেই। এতে বিকল্প পদ্ধতি জেনারেটর দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে। এতে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে।
বিষয়টি নিয়ে পিডিপির নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, লাইন মেরামতের কাজ করা হচ্ছে। আশা করছি দ্রুতই বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
পিডিপির সূত্রে জানা যায়, রাতে টাঙ্গাইলে প্রচণ্ড ঝড় বৃষ্টি হয়। এসময় অনেক বজ্রপাতও হয়। এতে সদর উপজেলা বৈল্লা বিদ্যুৎ গ্রিডের দুইটি কয়েল পুড়ে যায়। এর ফলে সেখান থেকে বিদ্যুৎ সাপ্লাই না হওয়াতে ১৩২ কেভির লাইন পুরোটাই বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে পুরো জেলার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (সোমবার সকাল ১১টা পর্যন্ত) বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি।
এদিকে বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবার কার্যক্রম। বিকল্প ব্যবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিলেও এমন অবস্থা চলতে থাকলে হাসপাতালসহ জরুরি সেবাখাতে মারাত্মক প্রভাব পড়বে।
স্থানীয়রা জানায়, বিদ্যুৎ না থাকায় ফ্রিজের খাদ্যসামগ্রী নষ্ট হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। মোটর দিয়ে পানি তুলতে না পারায় গোসল করতে পারছেন না। বাইরে থেকে পানি এনে কাজ করতে হচ্ছে।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তত্ত্বাবধানে সাদিকুর রহমান বলেন, সকাল থেকেই বিদ্যুৎ নেই। এতে বিকল্প পদ্ধতি জেনারেটর দিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে। এতে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে।
বিষয়টি নিয়ে পিডিপির নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, লাইন মেরামতের কাজ করা হচ্ছে। আশা করছি দ্রুতই বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন