গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নিহত পাঁচজনের দাফন সম্পন্ন

আপলোড সময় : ১৬-০৫-২০২৬ ০৩:০৬:৩৬ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১৬-০৫-২০২৬ ০৩:০৬:৩৬ অপরাহ্ন
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে পটুয়াখালীর বাউফলে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার উত্তর কনকদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়। 

নিহতরা হলেন- সবজি বিক্রেতা মোহাম্মদ আবুল কালাম (৪৫), তার স্ত্রী সায়মা আক্তার (৩৫), ছেলে মুন্না (১২), মেয়ে মুন্নি (১০) ও ছোট মেয়ে কথা (৭)। পরিবারের সবাই নারায়ণগঞ্জে একসঙ্গে বসবাস করতেন।

গত ১০ মে ফতুল্লার ভূঁইগড় গিরিধারা এলাকার একটি বহুতল ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ঘরে জমে থাকা গ্যাসে আগুনের সূত্রপাত হলে বিকট বিস্ফোরণ ঘটে। এতে পরিবারের পাঁচজনই দগ্ধ হন। পরে দগ্ধদের রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ মে প্রথম মারা যান আবুল কালাম। তার শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। পরে একে একে মারা যায় সাত বছরের কথা, ছেলে মুন্না ও মেয়ে মুন্নি। সর্বশেষ শুক্রবার সকালে মারা যান সায়মা আক্তার। তার শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে মরদেহগুলো গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। স্বজনদের কান্নায় স্তব্ধ হয়ে পড়ে পুরো এলাকা। শনিবারের জানাজায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বজন, প্রতিবেশীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শত শত মানুষ অংশ নেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জীবিকার তাগিদে দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণগঞ্জে পরিবার নিয়ে থাকতেন আবুল কালাম। সীমিত আয়েও সন্তানদের লেখাপড়ার বিষয়ে তিনি ছিলেন আন্তরিক। হঠাৎ এমন ঘটনায় পুরো গ্রাম শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছে।

নিহতদের এক স্বজন বলেন, একসঙ্গে পাঁচজনের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আসবে, এমন দৃশ্য কখনও কল্পনাও করিনি। একটা পরিবার পুরো শেষ হয়ে গেল।  

বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :