আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশে কোরবানির জন্য পর্যাপ্ত পশু প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য, প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেছেন, এবার কোরবানির জন্য প্রায় এক কোটি পশু প্রস্তুত রয়েছে এবং সরকার বিদেশ থেকে কোনো পশু আমদানির পরিকল্পনা করছে না।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, দেশে কোরবানির জন্য প্রয়োজনীয় পশুর তুলনায় বেশি প্রস্তুতি রয়েছে। গরু, ছাগল ও ভেড়াসহ সব ধরনের পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে যাতে কোনো পশু দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদেরও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
কৃষি খাতের প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, সরকার কৃষিবান্ধব নীতি অনুসরণ করছে এবং কৃষকের আর্থিক উন্নয়নকে দেশের উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
গবাদিপশু পালনে খরচ কমানো এবং উন্নত জাতের ঘাস উৎপাদনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এসব কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবেই তিনি বিএলআরআই পরিদর্শনে এসেছেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. শাকিলা ফারুক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, দেশে কোরবানির জন্য প্রয়োজনীয় পশুর তুলনায় বেশি প্রস্তুতি রয়েছে। গরু, ছাগল ও ভেড়াসহ সব ধরনের পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে যাতে কোনো পশু দেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদেরও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
কৃষি খাতের প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী বলেন, সরকার কৃষিবান্ধব নীতি অনুসরণ করছে এবং কৃষকের আর্থিক উন্নয়নকে দেশের উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
গবাদিপশু পালনে খরচ কমানো এবং উন্নত জাতের ঘাস উৎপাদনে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এসব কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবেই তিনি বিএলআরআই পরিদর্শনে এসেছেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. শাকিলা ফারুক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে