নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে মেঘনা ঘাট জেরা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে অগ্নি দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
বুধবার (১৩) মে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ওই দুর্ঘটনায় দগ্ধ ১২ জনের খোজঁ-খবর নেয়ার তিনি এ কথা বলেন।
এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ও পিডিবির চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম সঙ্গে ছিলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলেন। তাঁরা সেখানে উপস্থিত আহতদের পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধারণ এবং চিকিৎসার বিষয়ে সরকারের সবধরণের সহায়তার আশ্বাস দেন।
এর আগে বুধবার দুপুর ১টার দিকে মেঘনা ঘাট জেরা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে চুলার গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় ১২ জন দগ্ধ হন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মেঘনাঘাটে অবস্থিত বিদ্যুৎকেন্দ্রটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুপুরে ক্যান্টিনে খাবার খাচ্ছিলেন। এসময় হঠাৎ ক্যান্টিনের ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে উপস্থিত প্রায় ১২ জনের হাত, মুখ ও পা পুড়ে যায়। পরে সহকর্মীরা তাদেরকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকার বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান, দুপুরে ১২ জন দগ্ধ রোগী হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাদের দগ্ধের মাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত দগ্ধ হওয়ায় তিনজনকে আইসিইউ এবং এইচডিইউতে রাখা হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন নাজমুল শেখ (৪০), সাইফুল ইসলাম (৩০), রামিজুল (৪৫), আমির (২৫), শঙ্কর (২৫), কাউসার (৩০), তুহিন শেখ (৩০), মনির হোসেন (৪৫), আল আমিন (৪০), ওসমান গনি (৩০), সুপ্রভাত ঘোষ (৪২) ও বদরুল হায়দার (৫০)।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
বুধবার (১৩) মে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ওই দুর্ঘটনায় দগ্ধ ১২ জনের খোজঁ-খবর নেয়ার তিনি এ কথা বলেন।
এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ও পিডিবির চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম সঙ্গে ছিলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলেন। তাঁরা সেখানে উপস্থিত আহতদের পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধারণ এবং চিকিৎসার বিষয়ে সরকারের সবধরণের সহায়তার আশ্বাস দেন।
এর আগে বুধবার দুপুর ১টার দিকে মেঘনা ঘাট জেরা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যান্টিনে চুলার গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় ১২ জন দগ্ধ হন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মেঘনাঘাটে অবস্থিত বিদ্যুৎকেন্দ্রটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুপুরে ক্যান্টিনে খাবার খাচ্ছিলেন। এসময় হঠাৎ ক্যান্টিনের ভেতরে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে উপস্থিত প্রায় ১২ জনের হাত, মুখ ও পা পুড়ে যায়। পরে সহকর্মীরা তাদেরকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকার বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান জানান, দুপুরে ১২ জন দগ্ধ রোগী হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাদের দগ্ধের মাত্রা পরীক্ষা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত দগ্ধ হওয়ায় তিনজনকে আইসিইউ এবং এইচডিইউতে রাখা হয়েছে।
দগ্ধরা হলেন নাজমুল শেখ (৪০), সাইফুল ইসলাম (৩০), রামিজুল (৪৫), আমির (২৫), শঙ্কর (২৫), কাউসার (৩০), তুহিন শেখ (৩০), মনির হোসেন (৪৫), আল আমিন (৪০), ওসমান গনি (৩০), সুপ্রভাত ঘোষ (৪২) ও বদরুল হায়দার (৫০)।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে