রোদ ঝলমলে দিনের শেষে বিকেলের আকাশ কালো মেঘে ঢেকে গিয়ে রাজধানী ঢাকায় নেমেছে ঝুম বৃষ্টি। বুধবার (১৩ মে) বিকাল চারটার পর শুরু হওয়া এ বৃষ্টিতে কিছুটা কমেছে গরমের তাপ।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বুধবার রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।
সাধারণত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাতকে ‘ভারি বৃষ্টি’ এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাতকে ‘অতি ভারি বর্ষণ’ হিসেবে বিবেচনা করে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ ফয়জুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, “দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে ওই এলাকাসহ পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এটি ঘনীভূত হতে পারে। অন্য একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।”
তিনি বলেন, “এর প্রভাবে বুধবার রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।”
“সেই সঙ্গে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।”
তবে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানান এই আবহাওয়াবিদ।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ভোর ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ঈশ্বরদী ও যশোরে, ৩৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সিলেটে, ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এ সময়ে নেত্রকোণায় সর্বোচ্চ ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে রোববার পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বুধবার রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।
সাধারণত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাতকে ‘ভারি বৃষ্টি’ এবং ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাতকে ‘অতি ভারি বর্ষণ’ হিসেবে বিবেচনা করে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ ফয়জুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, “দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে ওই এলাকাসহ পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এটি ঘনীভূত হতে পারে। অন্য একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।”
তিনি বলেন, “এর প্রভাবে বুধবার রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।”
“সেই সঙ্গে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।”
তবে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানান এই আবহাওয়াবিদ।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ভোর ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ঈশ্বরদী ও যশোরে, ৩৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সিলেটে, ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এ সময়ে নেত্রকোণায় সর্বোচ্চ ৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার থেকে রোববার পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে