লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়ের এলাকায় ইসরায়েলের ড্রোন হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় কড়া ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
মঙ্গলবার (১২ মে) এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানানোর পাশাপাশি সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এদিকে সোমবার (১১ মে) রাতে পৃথক হামলায় আরও দুই বাংলাদেশি নিখোঁজ হওয়ার তথ্য দিয়েছেন লেবাননে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তা।
সোমবার দুপুরে নাবাতিয়ের যেব্দীন এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত দুজনের বাড়িই সাতক্ষীরায়।
নিহত শফিকুল ইসলাম (৪০) সাতক্ষীরা সদরের ভালুকা চাঁদপুর এলাকার আফসার আলীর ছেলে। আর মো. নাহিদুল ইসলাম (২০) সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি এলাকার মো. আব্দুল কাদেরের ছেলে।
দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে তারা যখন লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়ের যেব্দীন এলাকায় তাদের বাসায় ছিলেন, তখন সেখানে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা হয়।
“প্রবাসী উপরোক্ত দুজন রেমিট্যান্সযোদ্ধার মৃত্যুতে বাংলাদেশ দূতাবাস, বৈরুত গভীর শোক জানাচ্ছে। একই সাথে দুজন মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে। বর্তমানে তাদের মরদেহ নাবাতিয়ের নাবিহ বেররি হাসপাতালে রাখা হয়েছে।”
লেবাননে দুজন নিহতের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে দেওয়া বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর ‘জঘন্য হামলায়’ দুই বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় ‘সর্বোচ্চ কড়া ভাষায়’ নিন্দা জানাচ্ছে বাংলাদেশ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ভুক্তভোগীদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর দুঃখ ও শোক প্রকাশ করছে বাংলাদেশ সরকার। তাদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করছে বাংলাদেশ দূতাবাস। নিহতদের পরিবারের সঙ্গেও তারা যোগাযোগ রাখছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ওই অঞ্চলে চলমান সংঘাত ও বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় বাংলাদেশ আবারও গভীর উদ্বেগ জানাচ্ছে এবং সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি অবিচল থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
মঙ্গলবার (১২ মে) এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানানোর পাশাপাশি সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এদিকে সোমবার (১১ মে) রাতে পৃথক হামলায় আরও দুই বাংলাদেশি নিখোঁজ হওয়ার তথ্য দিয়েছেন লেবাননে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক কর্মকর্তা।
সোমবার দুপুরে নাবাতিয়ের যেব্দীন এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত দুজনের বাড়িই সাতক্ষীরায়।
নিহত শফিকুল ইসলাম (৪০) সাতক্ষীরা সদরের ভালুকা চাঁদপুর এলাকার আফসার আলীর ছেলে। আর মো. নাহিদুল ইসলাম (২০) সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি এলাকার মো. আব্দুল কাদেরের ছেলে।
দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে তারা যখন লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়ের যেব্দীন এলাকায় তাদের বাসায় ছিলেন, তখন সেখানে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা হয়।
“প্রবাসী উপরোক্ত দুজন রেমিট্যান্সযোদ্ধার মৃত্যুতে বাংলাদেশ দূতাবাস, বৈরুত গভীর শোক জানাচ্ছে। একই সাথে দুজন মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে। বর্তমানে তাদের মরদেহ নাবাতিয়ের নাবিহ বেররি হাসপাতালে রাখা হয়েছে।”
লেবাননে দুজন নিহতের ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে দেওয়া বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর ‘জঘন্য হামলায়’ দুই বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় ‘সর্বোচ্চ কড়া ভাষায়’ নিন্দা জানাচ্ছে বাংলাদেশ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ভুক্তভোগীদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর দুঃখ ও শোক প্রকাশ করছে বাংলাদেশ সরকার। তাদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করছে বাংলাদেশ দূতাবাস। নিহতদের পরিবারের সঙ্গেও তারা যোগাযোগ রাখছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ওই অঞ্চলে চলমান সংঘাত ও বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় বাংলাদেশ আবারও গভীর উদ্বেগ জানাচ্ছে এবং সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি অবিচল থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে