ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, আন্দোলন-সংগ্রামে একসঙ্গে থাকার ছবি কিংবা রাজনৈতিক পরিচয় কোনোভাবেই অপরাধ করার লাইসেন্স হতে পারে না। কেউ অপরাধে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মীর হেলাল বলেন, ‘১৭ বছরের রাজপথে আমার অনেক সহকর্মী আছে। আমরা একসঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই করেছি। কিন্তু এটি কোনো অপরাধ করার লাইসেন্স হতে পারে না।’
দলে অপরাধীদের জায়গা হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি বারবার সুনির্দিষ্টভাবে বলে আসছি, কারও সঙ্গে আমার ছবি থাকতে পারে, আমার সঙ্গে চলাফেরা করেছে কিংবা দলে পদও থাকতে পারে। কিন্তু যেই মুহূর্তে কোনো ব্যক্তি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়াবে, সেই মুহূর্ত থেকে তাকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গসংগঠনের কেউ হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে আমরা অন্যায় দেখেছি, সেখানেই দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি। সাত্তারঘাট এলাকায় অবৈধভাবে ভবন নির্মাণের কাজ বন্ধ করা হয়েছে। কালভার্ট বন্ধ করে নির্মাণ ইয়ার্ড করার বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ৫০ বছরেও কেউ বাস টার্মিনালে হাত দেয়নি। আমরা জনগণের সুবিধার্থে সরকারি সম্পদ উদ্ধারে কাজ করছি। এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মীর হেলাল বলেন, ‘১৭ বছরের রাজপথে আমার অনেক সহকর্মী আছে। আমরা একসঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই করেছি। কিন্তু এটি কোনো অপরাধ করার লাইসেন্স হতে পারে না।’
দলে অপরাধীদের জায়গা হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি বারবার সুনির্দিষ্টভাবে বলে আসছি, কারও সঙ্গে আমার ছবি থাকতে পারে, আমার সঙ্গে চলাফেরা করেছে কিংবা দলে পদও থাকতে পারে। কিন্তু যেই মুহূর্তে কোনো ব্যক্তি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়াবে, সেই মুহূর্ত থেকে তাকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গসংগঠনের কেউ হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে আমরা অন্যায় দেখেছি, সেখানেই দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি। সাত্তারঘাট এলাকায় অবৈধভাবে ভবন নির্মাণের কাজ বন্ধ করা হয়েছে। কালভার্ট বন্ধ করে নির্মাণ ইয়ার্ড করার বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ৫০ বছরেও কেউ বাস টার্মিনালে হাত দেয়নি। আমরা জনগণের সুবিধার্থে সরকারি সম্পদ উদ্ধারে কাজ করছি। এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে