বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ইরামতী খাড়ির ওপর ভূঁইপুর-মথুরাপুর সংযোগ সড়কে ৪০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)।
সোমবার (১১ মে) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, বর্ষা মৌসুমে ইরামতী খাড়িতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভূঁইপুর ও মথুরাপুর এলাকার মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ত। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তেন শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ। বাধ্য হয়ে তাদের অতিরিক্ত পথ ঘুরে চলাচল করতে হতো, যার ফলে সময় ও অর্থ উভয়েরই অপচয় হতো।
এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে খাড়ির ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অবশেষে এলজিইডির অনুমোদনের মাধ্যমে সেই দাবি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে গেল।
গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন মল্লিক বলেন, ‘ইরামতী খাড়ির ওপর ৪০ মিটার সেতুর অনুমোদন পাওয়া গেছে। এটি বাস্তবায়িত হলে দুই এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নয়ন ঘটবে।’
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হবে এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে। সেতুটি বাস্তবায়িত হলে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলেও মনে করছেন তারা।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
সোমবার (১১ মে) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, বর্ষা মৌসুমে ইরামতী খাড়িতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভূঁইপুর ও মথুরাপুর এলাকার মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ত। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তেন শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ। বাধ্য হয়ে তাদের অতিরিক্ত পথ ঘুরে চলাচল করতে হতো, যার ফলে সময় ও অর্থ উভয়েরই অপচয় হতো।
এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে খাড়ির ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অবশেষে এলজিইডির অনুমোদনের মাধ্যমে সেই দাবি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে গেল।
গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন মল্লিক বলেন, ‘ইরামতী খাড়ির ওপর ৪০ মিটার সেতুর অনুমোদন পাওয়া গেছে। এটি বাস্তবায়িত হলে দুই এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নয়ন ঘটবে।’
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হবে এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে। সেতুটি বাস্তবায়িত হলে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াত এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলেও মনে করছেন তারা।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে