৩ জেলার হাওরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

আপলোড সময় : ১১-০৫-২০২৬ ০১:০৯:৫২ অপরাহ্ন , আপডেট সময় : ১১-০৫-২০২৬ ০১:০৯:৫২ অপরাহ্ন
নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। তবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাঁচটি নদীর পানি এখনও পাঁচটি পয়েন্টে প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও হবিগঞ্জ জেলার হাওর-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত না হওয়ায় পরিস্থিতি আগের দিনের তুলনায় উন্নতির দিকে বলে জানিয়েছেন বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী মঞ্জুর রহমান। তিনি বলেন, সার্বিকভাবে বন্যা পরিস্থিতি আগের দিনের তুলনায় ভালো। যদিও তিন জেলার হাওর-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল এখনও প্লাবিত রয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, রোববার (১০ মে) সুনামগঞ্জ জেলার নালজুর নদী জগন্নাথপুর পয়েন্টে, নেত্রকোনা জেলার ভুগাই-কংস নদী জারিয়াজঞ্জাইল পয়েন্টে, সোমেশ্বরী নদী কলমাকান্দা পয়েন্টে, মগরা নদী নেত্রকোনা পয়েন্টে এবং হবিগঞ্জ জেলার সুতাং নদী সুতাং রেলওয়ে সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

কেন্দ্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুরমা-কুশিয়ারা, ধনু-বাউলাই ও ভুগাই-কংস নদীর পানি সমতল কমেছে। আগামী তিন দিনও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন নদীর পানি কমতে বা স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি আগামী দুই দিন কমতে পারে এবং তৃতীয় দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। এতে কুশিয়ারা অববাহিকার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতিহতে পারে। এ ছাড়া নেত্রকোনার ভুগাই-কংস নদীর পানি আগামী তিন দিন কমতে পারে এবং সোমেশ্বরী নদীর পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। 

ধনু-বাউলাই ও মগরা নদীর পানিও স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। ফলে নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হতে পারে।

হবিগঞ্জ জেলার সুতাং নদীর পানি আগামী তিন দিন কমতে পারে। পাশাপাশি মনু, খোয়াই ও জুড়ি নদীর পানিও স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে সুতাং অববাহিকার হাওর এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও বৈশ্বিক আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্যের বরাত দিয়ে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানায়, আগামী দুই দিন এই অঞ্চলে মাঝারি থেকে মাঝারি-ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। তৃতীয় দিনে বৃষ্টিপাত কিছুটা কমে হালকা থেকে মাঝারি পর্যায়ে থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে লঘুচাপের বর্ধিতাংশ। সোমবারের (১১ মে) মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে।
 
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
 

সম্পাদক ও প্রকাশক :

মোঃ কামাল হোসেন

অফিস :

অফিস : ৬/২২, ইস্টার্ণ প্লাাজা (৬ তলা), কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স, হাতিরপুল, ঢাকা।

ইমেইল :