ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং (ইসরাফিল রতন)। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
রোববার (১০ মে) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মুনসী শামস উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।
রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রচলিত শর্তে ১০ মে থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাকে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেছেন। এই পদের জন্য তিনি বিধি মোতাবেক সকল ভাতা ও সুবিধা প্রাপ্য হবেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তর স্বার্থে যেকোনো সময় এই নিয়োগ বাতিল করার এখতিয়ার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যালেন্ডার পার্ট–২ (১৯৯৭)-এর ১১ অধ্যায়ে বর্ণিত প্রক্টরের দায়িত্ব ও কর্মপদ্ধতি বিষয়ক বিধি–বিধান অনুযায়ী তাকে এই দায়িত্ব পালন করতে হবে। একই সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় অফিসে যোগদানপত্র প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে, রোববার দুপুরে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন সাবেক প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ।
পদত্যাগপত্রে সাইফুদ্দীন আহমদ উল্লেখ করেন, ‘গত ২০ মাস ধরে এই পদে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেবা করা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে অবদান রাখতে পারা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের বিষয় ছিল। আমার ওপর যে আস্থা রাখা হয়েছে এবং নিবেদিতপ্রাণ সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করার যে সুযোগ আমি পেয়েছি তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্যক্তিগত কারণে প্রক্টর পদ থেকে সরে দাঁড়ানো আমার কাছে প্রয়োজনীয় বলে মনে হচ্ছে। তবে আমার একাডেমিক (শিক্ষকতার) জায়গা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়কে সমর্থন করার ক্ষেত্রে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকব এবং দায়িত্বের একটি মসৃণ হস্তান্তর নিশ্চিত করব। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে আমার সেবা চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা করছি।’
এদিকে সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ব্যক্তিগত কারণে আমি প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। আমি এই মুহূর্তে বিশ্রামে থাকতে চাই। তাই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
এর আগে, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসে। এরপর ২৮ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পান।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
রোববার (১০ মে) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মুনসী শামস উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নিয়োগের তথ্য জানানো হয়।
রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রচলিত শর্তে ১০ মে থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাকে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ প্রদান করেছেন। এই পদের জন্য তিনি বিধি মোতাবেক সকল ভাতা ও সুবিধা প্রাপ্য হবেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তর স্বার্থে যেকোনো সময় এই নিয়োগ বাতিল করার এখতিয়ার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যালেন্ডার পার্ট–২ (১৯৯৭)-এর ১১ অধ্যায়ে বর্ণিত প্রক্টরের দায়িত্ব ও কর্মপদ্ধতি বিষয়ক বিধি–বিধান অনুযায়ী তাকে এই দায়িত্ব পালন করতে হবে। একই সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় অফিসে যোগদানপত্র প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে, রোববার দুপুরে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন সাবেক প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ।
পদত্যাগপত্রে সাইফুদ্দীন আহমদ উল্লেখ করেন, ‘গত ২০ মাস ধরে এই পদে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেবা করা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে অবদান রাখতে পারা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের বিষয় ছিল। আমার ওপর যে আস্থা রাখা হয়েছে এবং নিবেদিতপ্রাণ সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করার যে সুযোগ আমি পেয়েছি তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্যক্তিগত কারণে প্রক্টর পদ থেকে সরে দাঁড়ানো আমার কাছে প্রয়োজনীয় বলে মনে হচ্ছে। তবে আমার একাডেমিক (শিক্ষকতার) জায়গা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়কে সমর্থন করার ক্ষেত্রে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকব এবং দায়িত্বের একটি মসৃণ হস্তান্তর নিশ্চিত করব। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে আমার সেবা চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা করছি।’
এদিকে সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ব্যক্তিগত কারণে আমি প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। আমি এই মুহূর্তে বিশ্রামে থাকতে চাই। তাই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
এর আগে, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসে। এরপর ২৮ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পান।
বাংলা স্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে