হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র কুড়িগ্রামের চিলমারী-মিনাবাজার সড়ক পরিণত হয়েছে মৃত্যুকূপে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন শতশত শিক্ষার্থীসহ অর্ধলক্ষ মানুষ। প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষের চলাচলের সড়কের বিভিন্ন স্থানে ধসে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে যানবাহন চলাচল। ঝুঁকি নিয়ে চলছে অটো ও রিকশা। দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, উপজেলা থানাহাট ইউনিয়ন ও রমনা মডেল ইউনিয়নের পাত্রখাতা মিনাবাজার সড়কের আকালুরঘাট এলাকায় সড়ক ধসে মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে। সড়ক ধসে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে হাজার হাজার পথচারীরা। প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চালচল করলেও সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় ভোগান্তিতে প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ।
স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, এই সড়কের যোগাযোগের জন্য রমনা মডেল ইউনিয়নের পাত্রখাতা মিনাবাজারের সাথে জোড়গাছ ও উপজেলা পরিষদের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য তিস্তার খালের উপর একটি ব্রিজ নির্মাণ করে এলজিইডি। গত ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে ৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে এলজিইডি বিভাগের তত্ত্বাবধানে কাজটি করে মেসার্স লুফা-জেড, এইস ডি (জেভি) সহ দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ৬৪ মিটার ব্রিজের সাথে ধরা হয় অ্যাপ্রোচ ( সংযোগ সড়ক) এইচবিবি।
পথচারী আলামিন মিয়া (৪৫) বলেন, এই স্থানে গাইড ওয়াল এবং পানি নামার জন্য ড্রেন করা হলে সড়কে ধস দেখা দিতো না এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হতো না। ত্রিমুখী এই সড়কের দুটি স্থানে ধসের কারণে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্রিজের উপর দিয়ে পারাপার হচ্ছি।
রমনা মডেল ইউনিয়নের পাত্রখাতা এলাকার নজরুল ইসলাম (৫৫) বলেন, এই সড়ক দিয়ে পাত্রখাতা, মিনাবাজার, মন্ডলেরহাট, কাশিমবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার প্রায় অর্ধলাখ মানুষ উপজেলা সদরসহ জোড়গাছ ও থানাহাট বাজারে চলাচল করে। সড়ক ধসে যাওয়ায় গর্ত সৃষ্টি হয়ে মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানাই।
শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের স্কুলে যেতে হয় এই রাস্তা দিয়ে। এখন রাস্তা দিয়ে যেতে খুব সমস্যা হচ্ছে। কখন জানি পড়ে যাই। তাও এখন বৃষ্টির দিন, খুব ভয় করে।
অটোচালক আব্দুল জলিল (৫০) বলেন, জীবিকার তাগিদে এই সড়কে আমাদের অটো চালাতে হয়, কিন্তু দীর্ঘদিন থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই অটো চালাচ্ছি। এছাড়াও ভাঙনের স্থানে এলে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে অটো তুলতে হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী মো. জুলফিকার আলী জানান, টানা বৃষ্টির কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত রাস্তাটির সংস্কারের কাজ করা হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
জানা গেছে, উপজেলা থানাহাট ইউনিয়ন ও রমনা মডেল ইউনিয়নের পাত্রখাতা মিনাবাজার সড়কের আকালুরঘাট এলাকায় সড়ক ধসে মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে। সড়ক ধসে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করছে হাজার হাজার পথচারীরা। প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চালচল করলেও সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় ভোগান্তিতে প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ।
স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, এই সড়কের যোগাযোগের জন্য রমনা মডেল ইউনিয়নের পাত্রখাতা মিনাবাজারের সাথে জোড়গাছ ও উপজেলা পরিষদের সাথে যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য তিস্তার খালের উপর একটি ব্রিজ নির্মাণ করে এলজিইডি। গত ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে ৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ে এলজিইডি বিভাগের তত্ত্বাবধানে কাজটি করে মেসার্স লুফা-জেড, এইস ডি (জেভি) সহ দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ৬৪ মিটার ব্রিজের সাথে ধরা হয় অ্যাপ্রোচ ( সংযোগ সড়ক) এইচবিবি।
পথচারী আলামিন মিয়া (৪৫) বলেন, এই স্থানে গাইড ওয়াল এবং পানি নামার জন্য ড্রেন করা হলে সড়কে ধস দেখা দিতো না এবং জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হতো না। ত্রিমুখী এই সড়কের দুটি স্থানে ধসের কারণে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্রিজের উপর দিয়ে পারাপার হচ্ছি।
রমনা মডেল ইউনিয়নের পাত্রখাতা এলাকার নজরুল ইসলাম (৫৫) বলেন, এই সড়ক দিয়ে পাত্রখাতা, মিনাবাজার, মন্ডলেরহাট, কাশিমবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার প্রায় অর্ধলাখ মানুষ উপজেলা সদরসহ জোড়গাছ ও থানাহাট বাজারে চলাচল করে। সড়ক ধসে যাওয়ায় গর্ত সৃষ্টি হয়ে মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে। দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানাই।
শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের স্কুলে যেতে হয় এই রাস্তা দিয়ে। এখন রাস্তা দিয়ে যেতে খুব সমস্যা হচ্ছে। কখন জানি পড়ে যাই। তাও এখন বৃষ্টির দিন, খুব ভয় করে।
অটোচালক আব্দুল জলিল (৫০) বলেন, জীবিকার তাগিদে এই সড়কে আমাদের অটো চালাতে হয়, কিন্তু দীর্ঘদিন থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই অটো চালাচ্ছি। এছাড়াও ভাঙনের স্থানে এলে যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে অটো তুলতে হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী মো. জুলফিকার আলী জানান, টানা বৃষ্টির কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত রাস্তাটির সংস্কারের কাজ করা হবে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন