মাঠপর্যায়ে সাংবাদিকদের তথ্যপ্রাপ্তি সহজ করতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) একজন করে ‘ফোকাল পার্সন’ নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বুধবার (৬ মে) এ তথ্য জানান।
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ দিনের কার্য-অধিবেশন শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, জেলা পর্যায়ে সাংবাদিকদের তথ্য পেতে যে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার মুখে পড়তে হয়, তা কমাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সচিব জানান, প্রতিটি জেলায় একজন নির্দিষ্ট কর্মকর্তা ফোকাল পার্সন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, যিনি সরাসরি সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করবেন। এর ফলে সংবাদ পরিবেশনে স্বচ্ছতা ও গতি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
ফোকাল পার্সনদের অনেকেই টেলিভিশনে কথা বলতে অনাগ্রহী—এ প্রসঙ্গে মাহবুবা ফারজানা বলেন, সবাই ক্যামেরার সামনে আসতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না, যা স্বাভাবিক।
তিনি আরও জানান, টেলিভিশনে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় অনুমতি সাপেক্ষে তা করতে হয়। তাই অনেক ক্ষেত্রে লিখিত বক্তব্য বা তথ্য সরবরাহই বেশি কার্যকর হবে।
এ বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাই তথ্য সরবরাহ করবেন—এটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে বর্তমান সময়ে ‘প্রেস’ ধারণা বদলে গিয়ে গণযোগাযোগের বিস্তৃত রূপ নিয়েছে, যেখানে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সবই অন্তর্ভুক্ত।
মন্ত্রী স্বীকার করেন, গণমাধ্যমের চাহিদা ও সরকারের প্রস্তুতির মধ্যে কিছু ব্যবধান রয়েছে। তবে তা দ্রুত দূর করে আধুনিক তথ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।
ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এবং প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ দিনের কার্য-অধিবেশন শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, জেলা পর্যায়ে সাংবাদিকদের তথ্য পেতে যে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার মুখে পড়তে হয়, তা কমাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সচিব জানান, প্রতিটি জেলায় একজন নির্দিষ্ট কর্মকর্তা ফোকাল পার্সন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, যিনি সরাসরি সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করবেন। এর ফলে সংবাদ পরিবেশনে স্বচ্ছতা ও গতি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
ফোকাল পার্সনদের অনেকেই টেলিভিশনে কথা বলতে অনাগ্রহী—এ প্রসঙ্গে মাহবুবা ফারজানা বলেন, সবাই ক্যামেরার সামনে আসতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না, যা স্বাভাবিক।
তিনি আরও জানান, টেলিভিশনে বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় অনুমতি সাপেক্ষে তা করতে হয়। তাই অনেক ক্ষেত্রে লিখিত বক্তব্য বা তথ্য সরবরাহই বেশি কার্যকর হবে।
এ বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাই তথ্য সরবরাহ করবেন—এটাই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে বর্তমান সময়ে ‘প্রেস’ ধারণা বদলে গিয়ে গণযোগাযোগের বিস্তৃত রূপ নিয়েছে, যেখানে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সবই অন্তর্ভুক্ত।
মন্ত্রী স্বীকার করেন, গণমাধ্যমের চাহিদা ও সরকারের প্রস্তুতির মধ্যে কিছু ব্যবধান রয়েছে। তবে তা দ্রুত দূর করে আধুনিক তথ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।
ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এবং প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে