রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। প্রতিরক্ষা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা এ দায়িত্ব পালনে সক্রিয় রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
বুধবার (৬ মে) বিকেলে কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের (আরআরআরসি) কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির কক্সবাজারে অবস্থিত এবং বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে সরকার সংশ্লিষ্ট দেশ ও আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে। রোহিঙ্গারাও মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফিরে যেতে আগ্রহী।”
শামা ওবায়েদ বলেন, “প্রতি বছর প্রায় ৩০ হাজার রোহিঙ্গা শিশুর জন্ম হচ্ছে, যা সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে। এ পরিস্থিতিতে খাদ্য, বাসস্থান ও চিকিৎসাসহ মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। একইসঙ্গে বৈশ্বিক বিভিন্ন যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গা সংকট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কিছুটা আড়ালে চলে গেলেও সরকার এ বিষয়ে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।”
তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের খাদ্যসংকট মোকাবিলায় বাজেট ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত কার্যকর সমাধানের আশা করা হচ্ছে।
এর আগে সকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। পরিদর্শনকালে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে
বুধবার (৬ মে) বিকেলে কক্সবাজারের শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের (আরআরআরসি) কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির কক্সবাজারে অবস্থিত এবং বিষয়টি আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে সরকার সংশ্লিষ্ট দেশ ও আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে। রোহিঙ্গারাও মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফিরে যেতে আগ্রহী।”
শামা ওবায়েদ বলেন, “প্রতি বছর প্রায় ৩০ হাজার রোহিঙ্গা শিশুর জন্ম হচ্ছে, যা সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে। এ পরিস্থিতিতে খাদ্য, বাসস্থান ও চিকিৎসাসহ মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। একইসঙ্গে বৈশ্বিক বিভিন্ন যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গা সংকট আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কিছুটা আড়ালে চলে গেলেও সরকার এ বিষয়ে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।”
তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গাদের খাদ্যসংকট মোকাবিলায় বাজেট ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত কার্যকর সমাধানের আশা করা হচ্ছে।
এর আগে সকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। পরিদর্শনকালে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচএইচ/এসকে