বিধানসভা নির্বাচনে বড় ব্যবধানে হারের পরও পদত্যাগ না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফের রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন রাজ্য বিজেপির সাবেক সভাপতি ও খড়্গপুর সদরের বিধায়ক দিলীপ ঘোষ।
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, দিলীপ ঘোষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা করে তীব্র মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিতলেই নৈতিক, আর বাকিদের ক্ষেত্রে তা অনৈতিক। জনতার ম্যান্ডেট যারা মানতে পারেন না, তাদের রাজনীতিতে থাকার অধিকার নেই। তিনি হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প।
দিলীপ ঘোষ বলেন, ট্রাম্প যেমন হারার পরও সরেননি, লোকজনকে রাস্তায় নামিয়ে ঝামেলা করার চেষ্টা করেছিলেন। ইলেকশন কমিশন কড়া না হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনতাকে (রাস্তায়) নামিয়ে জোর করে দখল করতেন।’
সাধারণত নির্বাচনের পরে মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দেন। যদি বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় এবং তাকেই পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে বেছে নেয়া হয়, তাহলে তিনি ফের শপথ নেন। নাহলে কুর্সি ছেড়ে দিতে হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (৫ মে) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
এসময় তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে তিনি রাজভবনে যাবেন কিনা? সাধারণত নির্বাচনের পরে মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দেন। যদি বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় এবং তাকেই পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়, তাহলে তিনি ফের শপথ নেন। নাহলে কুর্সি ছেড়ে দিতে হয়।
এ প্রসঙ্গে মমতা বলেন, ‘কেন, কীসের জন্য? আমরা তো হারিনি যে যাব। হারলে আমি যদি শপথ নিতে যেতাম, তাহলে আমি রেজিগশনটা করতাম। এখন তো কোয়েশ্চেন ডাস নট অ্যারাইজ। জোর করে দখল করে যদি কেউ মনে করে যে আমি গিয়ে রেজিগশনটা দিতে হবে - নো, নট দ্যাট। আমি এখনও বলতে চাই, আমরা নির্বাচনে হারিনি। জোর করে আমাদের হারানোর জন্য ওদের চেষ্টা এটা।’
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, দিলীপ ঘোষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা করে তীব্র মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিতলেই নৈতিক, আর বাকিদের ক্ষেত্রে তা অনৈতিক। জনতার ম্যান্ডেট যারা মানতে পারেন না, তাদের রাজনীতিতে থাকার অধিকার নেই। তিনি হচ্ছেন শাড়ি পরা ট্রাম্প।
দিলীপ ঘোষ বলেন, ট্রাম্প যেমন হারার পরও সরেননি, লোকজনকে রাস্তায় নামিয়ে ঝামেলা করার চেষ্টা করেছিলেন। ইলেকশন কমিশন কড়া না হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনতাকে (রাস্তায়) নামিয়ে জোর করে দখল করতেন।’
সাধারণত নির্বাচনের পরে মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দেন। যদি বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় এবং তাকেই পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে বেছে নেয়া হয়, তাহলে তিনি ফের শপথ নেন। নাহলে কুর্সি ছেড়ে দিতে হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (৫ মে) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
এসময় তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে তিনি রাজভবনে যাবেন কিনা? সাধারণত নির্বাচনের পরে মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দেন। যদি বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় এবং তাকেই পরিষদীয় দলের নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়, তাহলে তিনি ফের শপথ নেন। নাহলে কুর্সি ছেড়ে দিতে হয়।
এ প্রসঙ্গে মমতা বলেন, ‘কেন, কীসের জন্য? আমরা তো হারিনি যে যাব। হারলে আমি যদি শপথ নিতে যেতাম, তাহলে আমি রেজিগশনটা করতাম। এখন তো কোয়েশ্চেন ডাস নট অ্যারাইজ। জোর করে দখল করে যদি কেউ মনে করে যে আমি গিয়ে রেজিগশনটা দিতে হবে - নো, নট দ্যাট। আমি এখনও বলতে চাই, আমরা নির্বাচনে হারিনি। জোর করে আমাদের হারানোর জন্য ওদের চেষ্টা এটা।’
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে