গাজীপুরের কালিগঞ্জে হঠাৎ সড়কে একে একে ১৭টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে পড়েছে। এতে শিউলী আক্তার নামে এক স্কুলশিক্ষক নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং দীর্ঘ ৫ ঘণ্টা সড়ক যোগাযোগ বিঘ্নিত হয়।
এ ঘটনায় বিদ্যুৎ সেক্টরে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। গ্রাহকদের ভয়ের কারণ হচ্ছে-এক সঙ্গে কিভাবে বিদ্যুতের ১৭টি খুটি ভেঙ্গে পড়তে পারে। নিশ্চয় খুটিতে নিন্মমানের সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুর প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার শিমুলিয়া (পূবাইল) এলাকায় টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কে এ ঘটনা ঘটে। শিউলী আক্তার স্থানীয় শিমুলিয়া এলাকার বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, পূবাইল ১৩২/৩৩ কেভি সাবস্টেশন লাইনের সারিবদ্ধ ১৭টি বৈদ্যুতিক খুঁটি হঠাৎ করে সড়কের পাশে ভেঙে পড়ে। এ সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শর্টসার্কিটের ঘটনায় ভীত হয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই স্কুলশিক্ষক শিউলী আক্তারের মৃত্যু হয়।
এ দিকে দুর্ঘটনার পরপরই সড়কের ওপর বিশাল আকৃতির একটি খুঁটি আড়াআড়িভাবে পড়ে থাকায় টঙ্গী–ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কে সব ধরনের যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা উদ্ধার ও অপসারণ কার্যক্রম শুরু করলেও ধ্বংসস্তূপ সরাতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। ফলে সড়কের উভয় পাশে প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে প্রায় ৫ ঘণ্টা পর রাত ৮টার দিকে পরিস্থিতি আংশিক স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
এ বিষয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানান, এ ঘটনায় আহত পাঁচজনকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে কালিগঞ্জ পল্লি বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) জানান, হঠাৎ করেই খুঁটিগুলো ভেঙে পড়েছে, সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, বৃষ্টির কারণে মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় খুঁটির ভিত্তি দুর্বল হয়ে থাকতে পারে। পাশাপাশি নির্মাণ কাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রকল্পটির ইপিসি ঠিকাদার হিসেবে এনার্জিপ্যাক কাজ করছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় পূবাইল ও কালিগঞ্জ এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, ফলে হাজারো গ্রাহক চরম দুর্ভোগে পড়েন।
বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধারের বিষয়ে পল্লি বিদ্যুতের পূবাইল জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নুরুন্নবী জানান, শিমুলিয়া এলাকায় খুঁটি ভেঙে পড়ার কারণে কালিগঞ্জের দিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে টঙ্গী লাইনের সাহায্যে পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ সচল করা হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
এ ঘটনায় বিদ্যুৎ সেক্টরে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। গ্রাহকদের ভয়ের কারণ হচ্ছে-এক সঙ্গে কিভাবে বিদ্যুতের ১৭টি খুটি ভেঙ্গে পড়তে পারে। নিশ্চয় খুটিতে নিন্মমানের সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুর প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার শিমুলিয়া (পূবাইল) এলাকায় টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কে এ ঘটনা ঘটে। শিউলী আক্তার স্থানীয় শিমুলিয়া এলাকার বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, পূবাইল ১৩২/৩৩ কেভি সাবস্টেশন লাইনের সারিবদ্ধ ১৭টি বৈদ্যুতিক খুঁটি হঠাৎ করে সড়কের পাশে ভেঙে পড়ে। এ সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শর্টসার্কিটের ঘটনায় ভীত হয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই স্কুলশিক্ষক শিউলী আক্তারের মৃত্যু হয়।
এ দিকে দুর্ঘটনার পরপরই সড়কের ওপর বিশাল আকৃতির একটি খুঁটি আড়াআড়িভাবে পড়ে থাকায় টঙ্গী–ঘোড়াশাল আঞ্চলিক সড়কে সব ধরনের যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা উদ্ধার ও অপসারণ কার্যক্রম শুরু করলেও ধ্বংসস্তূপ সরাতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। ফলে সড়কের উভয় পাশে প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে প্রায় ৫ ঘণ্টা পর রাত ৮টার দিকে পরিস্থিতি আংশিক স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
এ বিষয়ে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানান, এ ঘটনায় আহত পাঁচজনকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে কালিগঞ্জ পল্লি বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) জানান, হঠাৎ করেই খুঁটিগুলো ভেঙে পড়েছে, সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, বৃষ্টির কারণে মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় খুঁটির ভিত্তি দুর্বল হয়ে থাকতে পারে। পাশাপাশি নির্মাণ কাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রকল্পটির ইপিসি ঠিকাদার হিসেবে এনার্জিপ্যাক কাজ করছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় পূবাইল ও কালিগঞ্জ এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, ফলে হাজারো গ্রাহক চরম দুর্ভোগে পড়েন।
বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধারের বিষয়ে পল্লি বিদ্যুতের পূবাইল জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নুরুন্নবী জানান, শিমুলিয়া এলাকায় খুঁটি ভেঙে পড়ার কারণে কালিগঞ্জের দিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে বিকল্প ব্যবস্থার মাধ্যমে টঙ্গী লাইনের সাহায্যে পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ সচল করা হচ্ছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন