৩৯টি দেশের ওপর আরোপিত বিতর্কিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থেকে নিঃশব্দে চিকিৎসকদের অব্যাহতি দিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই এসব দেশের চিকিৎসকদের যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার এবং বসবাসের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহের শেষ দিকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই নিজেদের ওয়েবসাইট হালনাগাদ করে মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) জানায়, চিকিৎসকদের আবেদনগুলো আর প্রক্রিয়াকরণ স্থগিতের আওতায় থাকবে না। দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগও নিশ্চিত করেছে যে, চিকিৎসকদের সংশ্লিষ্ট আবেদনগুলোর প্রক্রিয়াকরণ এখন থেকে চলমান থাকবে।
৩৯টি দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারির পর ওই দেশগুলোর নাগরিকদের ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট এবং গ্রিন কার্ডসহ সব ধরনের অভিবাসন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বিদেশি চিকিৎসকেরা চরম অনিশ্চয়তায় পড়েন। এমনকি অনেক হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকদেরকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের মোট চিকিৎসকের প্রায় ২৫ শতাংশই বিদেশি নাগরিক। ট্রাম্প প্রশাসনের এই নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটিতে বড় ধরনের স্বাস্থ্যসংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়। মূলত এই পরিস্থিতি এড়াতেই আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং ভেনেজুয়েলার মতো দেশগুলো থেকে আসা চিকিৎসকদের জন্য নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে। তবে এই সুবিধা বর্তমানে কেবল যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত চিকিৎসকরাই পাবেন।
এর আগে গত ৮ এপ্রিল আমেরিকান একাডেমি অব ফ্যামিলি ফিজিশিয়ানস, নিউরোলজি এবং পেডিয়াট্রিক্সসহ বেশ কিছু প্রভাবশালী চিকিৎসক সংগঠন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সচিবকে একটি জরুরি চিঠি দেয়। ওই চিঠিতে তারা যোগ্য ও পরীক্ষিত চিকিৎসকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ এবং অবস্থানে সৃষ্ট বাধা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ‘জাতীয় স্বার্থে’ চিকিৎসকদের এই নীতির আওতামুক্ত রাখার দাবি জানান তারা।
আন্তর্জাতিক মেডিকেল গ্র্যাজুয়েটদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ‘প্রজেক্ট আইএমজি’-এর প্রতিষ্ঠাতা সেবাস্টিয়ান আরুয়ারাানা বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত চিকিৎসকদের ভিসা প্রক্রিয়ার পরিবর্তন সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে ওয়েবসাইটের এই আপডেট দেখে আমরা আশাবাদী হয়েছি।’
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সপ্তাহের শেষ দিকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়াই নিজেদের ওয়েবসাইট হালনাগাদ করে মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) জানায়, চিকিৎসকদের আবেদনগুলো আর প্রক্রিয়াকরণ স্থগিতের আওতায় থাকবে না। দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগও নিশ্চিত করেছে যে, চিকিৎসকদের সংশ্লিষ্ট আবেদনগুলোর প্রক্রিয়াকরণ এখন থেকে চলমান থাকবে।
৩৯টি দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারির পর ওই দেশগুলোর নাগরিকদের ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট এবং গ্রিন কার্ডসহ সব ধরনের অভিবাসন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বিদেশি চিকিৎসকেরা চরম অনিশ্চয়তায় পড়েন। এমনকি অনেক হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকদেরকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের মোট চিকিৎসকের প্রায় ২৫ শতাংশই বিদেশি নাগরিক। ট্রাম্প প্রশাসনের এই নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটিতে বড় ধরনের স্বাস্থ্যসংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়। মূলত এই পরিস্থিতি এড়াতেই আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং ভেনেজুয়েলার মতো দেশগুলো থেকে আসা চিকিৎসকদের জন্য নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হয়েছে। তবে এই সুবিধা বর্তমানে কেবল যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত চিকিৎসকরাই পাবেন।
এর আগে গত ৮ এপ্রিল আমেরিকান একাডেমি অব ফ্যামিলি ফিজিশিয়ানস, নিউরোলজি এবং পেডিয়াট্রিক্সসহ বেশ কিছু প্রভাবশালী চিকিৎসক সংগঠন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সচিবকে একটি জরুরি চিঠি দেয়। ওই চিঠিতে তারা যোগ্য ও পরীক্ষিত চিকিৎসকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ এবং অবস্থানে সৃষ্ট বাধা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে ‘জাতীয় স্বার্থে’ চিকিৎসকদের এই নীতির আওতামুক্ত রাখার দাবি জানান তারা।
আন্তর্জাতিক মেডিকেল গ্র্যাজুয়েটদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ‘প্রজেক্ট আইএমজি’-এর প্রতিষ্ঠাতা সেবাস্টিয়ান আরুয়ারাানা বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত চিকিৎসকদের ভিসা প্রক্রিয়ার পরিবর্তন সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে ওয়েবসাইটের এই আপডেট দেখে আমরা আশাবাদী হয়েছি।’
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে