দেশে হাম ও এ রোগের উপসর্গ নিয়ে প্রায় তিনশ শিশুর মৃত্যুর খবরের মধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ‘‘লক্ষ্যমাত্রার ৮১ শতাংশ শিশু হামের টিকার আওতায় এসেছে। এখন এক্ষেত্রে কোনো ‘ঘাটতি’ বা ‘দুর্বলতা’ নেই।’’
টিকার ‘যথেষ্ট মজুদ’ থাকার দাবি করে তিনি বলেন, ‘‘হামের টিকা দেওয়া চলছে। টিকা না পাওয়ার সংখ্যা কমে আসছে। পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এবং মৃত্যুর হারও কমে আসছে। তবে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে একটু সময় লাগে।’’
রোববার (৩ মে) বিকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিগগির সবাইকে টিকার আওতায় আনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এখনও চলছে অভিযান। আর দুই-চার দিনের ভেতরে ১০০ শতাংশ লক্ষ্য কভার করে ফেলব হামের টিকার ব্যাপারে। আমাদের কোনো রকম স্টক ঘাটতি নেই, কোনো রকম দুর্বলতা নেই এই ব্যাপারে ইনশাআল্লাহ।”
এদিনও হামে আক্রান্ত হয়ে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে হামে মৃত্যু হয়েছে একজনের, বাকি নয়জনের শরীরে হামের উপসর্গ ছিল।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে ৫০ জন এবং হামের লক্ষণ নিয়ে ২৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চার দিনের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, মায়েদের ব্রেস্টফিডিং বৃদ্ধি, জলাতঙ্ক ও সাপে কাটার ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত মজুদ নিশ্চিত করা এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অবৈধ ক্লিনিক ও ওষুধ বিক্রি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।’’
তিনি বলেন, “প্রায় ৮১ শতাংশ কভার করে নিয়েছি ইনশাআল্লাহ। ভ্যাকসিন দেওয়া, সেটারও প্রত্যেকটা ক্যাম্পের প্রতি যেন ওনারা দৃষ্টি রাখেন, এই ব্যাপারে সহযোগিতা চেয়েছি।”
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘সরকারের লক্ষ্য জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং এ লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।’’
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে
টিকার ‘যথেষ্ট মজুদ’ থাকার দাবি করে তিনি বলেন, ‘‘হামের টিকা দেওয়া চলছে। টিকা না পাওয়ার সংখ্যা কমে আসছে। পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এবং মৃত্যুর হারও কমে আসছে। তবে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে একটু সময় লাগে।’’
রোববার (৩ মে) বিকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিগগির সবাইকে টিকার আওতায় আনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এখনও চলছে অভিযান। আর দুই-চার দিনের ভেতরে ১০০ শতাংশ লক্ষ্য কভার করে ফেলব হামের টিকার ব্যাপারে। আমাদের কোনো রকম স্টক ঘাটতি নেই, কোনো রকম দুর্বলতা নেই এই ব্যাপারে ইনশাআল্লাহ।”
এদিনও হামে আক্রান্ত হয়ে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে হামে মৃত্যু হয়েছে একজনের, বাকি নয়জনের শরীরে হামের উপসর্গ ছিল।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে ৫০ জন এবং হামের লক্ষণ নিয়ে ২৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চার দিনের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনার বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, মায়েদের ব্রেস্টফিডিং বৃদ্ধি, জলাতঙ্ক ও সাপে কাটার ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত মজুদ নিশ্চিত করা এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অবৈধ ক্লিনিক ও ওষুধ বিক্রি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।’’
তিনি বলেন, “প্রায় ৮১ শতাংশ কভার করে নিয়েছি ইনশাআল্লাহ। ভ্যাকসিন দেওয়া, সেটারও প্রত্যেকটা ক্যাম্পের প্রতি যেন ওনারা দৃষ্টি রাখেন, এই ব্যাপারে সহযোগিতা চেয়েছি।”
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘সরকারের লক্ষ্য জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া এবং এ লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।’’
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এইচএইচ/এসকে