ইরানের বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী ও নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী নার্গিস মোহাম্মাদি কারাগারে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে জ্ঞান হারানোর পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (২ মে) তার পরিবারের দেওয়া এক বিবৃতির বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্ট এ তথ্য জানায়।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, জাঞ্জান কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় শুক্রবার (১ মে) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন নার্গিস মোহাম্মাদি। পরে তাকে দ্রুত জাঞ্জান শহরের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নার্গিস ফাউন্ডেশন এবং তার স্বামী তাঘি রহমানি জানান, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজধানী তেহরানের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুরোধ জানানো হলেও ইরানের বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
পরিবারের দাবি, তেহরানে নিয়ে গেলে সেখানে তার দীর্ঘদিনের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা দিতে পারতেন।
নার্গিসের জীবন নিয়ে গভীরভাবে শঙ্কিত পরিবার এ বিষয়টি উল্লেখ করে ইরানি কর্তৃপক্ষের প্রতি মানবিক বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
এ বিষয়ে জাতিসংঘে ইরানের মিশন জানায়, মোহাম্মাদির স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে তাদের কোনো মন্তব্য নেই।
৫৩ বছর বয়সী নার্গিস মোহাম্মাদি গত ১২ ডিসেম্বর থেকে কারাবন্দি রয়েছেন। পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে সফরের সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে ফেব্রুয়ারিতে একটি আদালত তাকে সাত বছরের বেশি কারাদণ্ড দেয়।
তার আইনজীবীর দাবি, “অপরাধ সংঘটনের জন্য সমাবেশ ও যোগসাজশের” অভিযোগে তাকে ছয় বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের সময় তিনি মারধরের শিকার হন, যা তার বর্তমান শারীরিক অবস্থার অবনতির একটি কারণ হতে পারে।
এর আগে “রাষ্ট্রবিরোধী যোগসাজশ” ও “সরকারের বিরুদ্ধে প্রচারণা”র অভিযোগে তিনি ১৩ বছর ৯ মাস কারাদণ্ড ভোগ করেছেন। অসুস্থতার কারণে ২০২৪ সালের শেষ দিকে তিনি সাময়িকভাবে মুক্তি পান।
উল্লেখ্য, মানবাধিকার আন্দোলনে অবদানের জন্য ২০২৩ সালে নার্গিস মোহাম্মাদি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
শনিবার (২ মে) তার পরিবারের দেওয়া এক বিবৃতির বরাতে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্ট এ তথ্য জানায়।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, জাঞ্জান কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় শুক্রবার (১ মে) হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন নার্গিস মোহাম্মাদি। পরে তাকে দ্রুত জাঞ্জান শহরের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নার্গিস ফাউন্ডেশন এবং তার স্বামী তাঘি রহমানি জানান, উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজধানী তেহরানের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুরোধ জানানো হলেও ইরানের বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
পরিবারের দাবি, তেহরানে নিয়ে গেলে সেখানে তার দীর্ঘদিনের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা দিতে পারতেন।
নার্গিসের জীবন নিয়ে গভীরভাবে শঙ্কিত পরিবার এ বিষয়টি উল্লেখ করে ইরানি কর্তৃপক্ষের প্রতি মানবিক বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
এ বিষয়ে জাতিসংঘে ইরানের মিশন জানায়, মোহাম্মাদির স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে তাদের কোনো মন্তব্য নেই।
৫৩ বছর বয়সী নার্গিস মোহাম্মাদি গত ১২ ডিসেম্বর থেকে কারাবন্দি রয়েছেন। পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে সফরের সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে ফেব্রুয়ারিতে একটি আদালত তাকে সাত বছরের বেশি কারাদণ্ড দেয়।
তার আইনজীবীর দাবি, “অপরাধ সংঘটনের জন্য সমাবেশ ও যোগসাজশের” অভিযোগে তাকে ছয় বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের সময় তিনি মারধরের শিকার হন, যা তার বর্তমান শারীরিক অবস্থার অবনতির একটি কারণ হতে পারে।
এর আগে “রাষ্ট্রবিরোধী যোগসাজশ” ও “সরকারের বিরুদ্ধে প্রচারণা”র অভিযোগে তিনি ১৩ বছর ৯ মাস কারাদণ্ড ভোগ করেছেন। অসুস্থতার কারণে ২০২৪ সালের শেষ দিকে তিনি সাময়িকভাবে মুক্তি পান।
উল্লেখ্য, মানবাধিকার আন্দোলনে অবদানের জন্য ২০২৩ সালে নার্গিস মোহাম্মাদি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে