গত ১৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিখোঁজ হন জামিল আহমেদ লিমন ও নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। শুক্রবার (১ মে) এই অঙ্গরাজ্যের টাম্পা বে এলাকায় একটি সেতুর কাছ থেকে লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর ২৭ বছর বয়সী লিমনের মরদেহ ইসলামিক সোসাইটি, টাম্পা বের মসজিদে রাখা হয়।
সেখানে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) তার জানাজা ও দোয়া মাহফিল অনু্ষ্ঠিত হয়।
এতে অংশ নেন প্রবাসী বাংলাদেশিসহ শত শত মানুষ। এ সময় পরিবার, বন্ধু, সহপাঠী এবং স্থানীয় কমিউনিটির সদস্যরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামাজে দাঁড়ান। উপস্থিত অনেক বাংলাদেশি জানান, এই আয়োজন তাদের শোক কাটানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ এবং মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর আগে শেষ বিদায়।
ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো শহরে বসবাস করেন লিমনের খালা তাসলিমা ইসলাম।
তিনি বলেন, লিমন আমার সন্তানের মতো ছিল। ছোটবেলা থেকেই সব সময় হাসিখুশি ছিল।
হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে তিনি বলেন, আমি চাই এই হত্যাকারীর মৃত্যুদণ্ড হোক। যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এমন পরিস্থিতির শিকার না হয়।
নিহত লিমন ও নিখোঁজ বৃষ্টির বন্ধু মোহাম্মদ উদ্দিন বলেন, তারা খুবই মেধাবী ছিল। তাদের সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ছিল। এই ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
কমিউনিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ আনুষ্ঠানিকভাবে শনাক্ত বা উদ্ধার হলে তার জন্যও একই ধরনের দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।
এদিকে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। তবে টাম্পা বে অঞ্চল থেকে একটি মানবদেহের খণ্ডিতাংশ উদ্ধার করেছে বলে জানায় দেশটির পুলিশ।
হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড ব্রিজের নিচ থেকে লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধারের দুই দিন পর ওই এলাকায় আরো একটি মহদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করে পুলিশ।
লিমনের মরদেহ যেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে, তার থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরের একটি জলাশয়ে পুলিশ মরদেহের ওই খণ্ডিত অংশ খুঁজে পায়।
সর্বশেষ এক তদন্ত প্রতিবেদনে জানা যায়, ওই খণ্ডিত অংশে জড়ানো পোশাকের সঙ্গে নাহিদা বৃষ্টির শেষবার তার পরনে থাকা পোশাকের সঙ্গে মিল মিল দেখা গেছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই মরদেহের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে এখনো তদন্ত চলছে।
তবে এ ঘটনায় আটক হিশাম আবুঘরবেহর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ মাত্রার হত্যার দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। গত মঙ্গলবার আদালত তার জামিন আবেদন বাতিল করে তাকে কারাগারে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
সেখানে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) তার জানাজা ও দোয়া মাহফিল অনু্ষ্ঠিত হয়।
এতে অংশ নেন প্রবাসী বাংলাদেশিসহ শত শত মানুষ। এ সময় পরিবার, বন্ধু, সহপাঠী এবং স্থানীয় কমিউনিটির সদস্যরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামাজে দাঁড়ান। উপস্থিত অনেক বাংলাদেশি জানান, এই আয়োজন তাদের শোক কাটানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ এবং মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর আগে শেষ বিদায়।
ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো শহরে বসবাস করেন লিমনের খালা তাসলিমা ইসলাম।
তিনি বলেন, লিমন আমার সন্তানের মতো ছিল। ছোটবেলা থেকেই সব সময় হাসিখুশি ছিল।
হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে তিনি বলেন, আমি চাই এই হত্যাকারীর মৃত্যুদণ্ড হোক। যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এমন পরিস্থিতির শিকার না হয়।
নিহত লিমন ও নিখোঁজ বৃষ্টির বন্ধু মোহাম্মদ উদ্দিন বলেন, তারা খুবই মেধাবী ছিল। তাদের সামনে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ছিল। এই ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
কমিউনিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ আনুষ্ঠানিকভাবে শনাক্ত বা উদ্ধার হলে তার জন্যও একই ধরনের দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।
এদিকে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। তবে টাম্পা বে অঞ্চল থেকে একটি মানবদেহের খণ্ডিতাংশ উদ্ধার করেছে বলে জানায় দেশটির পুলিশ।
হাওয়ার্ড ফ্র্যাংকল্যান্ড ব্রিজের নিচ থেকে লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধারের দুই দিন পর ওই এলাকায় আরো একটি মহদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করে পুলিশ।
লিমনের মরদেহ যেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে, তার থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরের একটি জলাশয়ে পুলিশ মরদেহের ওই খণ্ডিত অংশ খুঁজে পায়।
সর্বশেষ এক তদন্ত প্রতিবেদনে জানা যায়, ওই খণ্ডিত অংশে জড়ানো পোশাকের সঙ্গে নাহিদা বৃষ্টির শেষবার তার পরনে থাকা পোশাকের সঙ্গে মিল মিল দেখা গেছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই মরদেহের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে এখনো তদন্ত চলছে।
তবে এ ঘটনায় আটক হিশাম আবুঘরবেহর বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ মাত্রার হত্যার দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। গত মঙ্গলবার আদালত তার জামিন আবেদন বাতিল করে তাকে কারাগারে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে