ইরান যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল সামরিক ব্যয় নিয়ে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। পেন্টাগনের শীর্ষ আর্থিক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি মাসে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত এই সংঘাতে প্রায় ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করেছে ওয়াশিংটন। তবে এই হিসাব নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে।
সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিন ব্যক্তি জানিয়েছেন, পেন্টাগনের দেওয়া ২৫ বিলিয়ন ডলারের এই অঙ্কটি আসলে প্রকৃত ব্যয়ের চেয়ে অনেক কম।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই বিশাল অঙ্কের খরচের বিপরীতে একটি মানবিক পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয়কারী সংস্থার (ওসিএইচএ) প্রধান টম ফ্লেচার জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছে, তা দিয়ে বিশ্বের প্রায় ৮ কোটি ৭০ লাখ মানুষের জীবন রক্ষা করা সম্ভব ছিল। ফ্লেচারের মতে, ২০২৬ সালের জন্য জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা আপিলের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৩ বিলিয়ন ডলার, যা দিয়ে সারা বিশ্বের প্রায় ৯ কোটি মানুষের খাদ্য, বাসস্থান ও চিকিৎসার মতো মৌলিক চাহিদা মেটানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে টম ফ্লেচার এই বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, সারা বিশ্বের কয়েক কোটি প্রাণ বাঁচানোর যে পরিকল্পনা জাতিসংঘের রয়েছে, তার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের চেয়েও বেশি অর্থ ব্যয় হচ্ছে এই একটি যুদ্ধে।
তিনি আক্ষেপ করে জানান, যদি এই ২৩ বিলিয়ন ডলার জাতিসংঘের তহবিলে থাকত, তবে এ বছর ৮ কোটি ৭০ লাখ মানুষের জীবন বাঁচানোর লড়াইয়ে তারা অনেক বেশি সফল হতে পারতেন। পেন্টাগনের এই ব্যয় এবং জাতিসংঘের মানবিক আহ্বানের এই তুলনামূলক চিত্রটি বর্তমানে বিশ্বরাজনীতি ও মানবিক সহায়তা খাতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে
সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিন ব্যক্তি জানিয়েছেন, পেন্টাগনের দেওয়া ২৫ বিলিয়ন ডলারের এই অঙ্কটি আসলে প্রকৃত ব্যয়ের চেয়ে অনেক কম।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই বিশাল অঙ্কের খরচের বিপরীতে একটি মানবিক পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয়কারী সংস্থার (ওসিএইচএ) প্রধান টম ফ্লেচার জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধে যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছে, তা দিয়ে বিশ্বের প্রায় ৮ কোটি ৭০ লাখ মানুষের জীবন রক্ষা করা সম্ভব ছিল। ফ্লেচারের মতে, ২০২৬ সালের জন্য জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা আপিলের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৩ বিলিয়ন ডলার, যা দিয়ে সারা বিশ্বের প্রায় ৯ কোটি মানুষের খাদ্য, বাসস্থান ও চিকিৎসার মতো মৌলিক চাহিদা মেটানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে টম ফ্লেচার এই বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, সারা বিশ্বের কয়েক কোটি প্রাণ বাঁচানোর যে পরিকল্পনা জাতিসংঘের রয়েছে, তার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের চেয়েও বেশি অর্থ ব্যয় হচ্ছে এই একটি যুদ্ধে।
তিনি আক্ষেপ করে জানান, যদি এই ২৩ বিলিয়ন ডলার জাতিসংঘের তহবিলে থাকত, তবে এ বছর ৮ কোটি ৭০ লাখ মানুষের জীবন বাঁচানোর লড়াইয়ে তারা অনেক বেশি সফল হতে পারতেন। পেন্টাগনের এই ব্যয় এবং জাতিসংঘের মানবিক আহ্বানের এই তুলনামূলক চিত্রটি বর্তমানে বিশ্বরাজনীতি ও মানবিক সহায়তা খাতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বাংলা স্কুপ/ডেস্ক/এইচবি/এসকে