যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অবরোধের ফলে ইরান শিগগিরই তেল উৎপাদন কমাতে বাধ্য হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ট্রেজারি বিভাগ ‘ইকোনমিক ফিউরি’ কর্মসূচির আওতায় ইরানের অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে চাপ বাড়িয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সেই চাপের মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ক্রিপ্টো অ্যাক্সেস, ‘শ্যাডো ফ্লিট’ এবং অস্ত্র সংগ্রহের নেটওয়ার্কে লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপ। খবর আলজাজিরার।
বেসেন্ট দাবি করেন, এসব পদক্ষেপের ফলে ইরান সরকারের অর্থায়নের গুরুত্বপূর্ণ উৎসে আঘাত লেগেছে এবং কয়েক দশক বিলিয়ন ডলারের রাজস্ব ব্যাহত হয়েছে। এতে দেশটির মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে এবং মুদ্রার মান দ্রুত অবমূল্যায়িত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ দেশটির তেল বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে খারগ দ্বীপে সংরক্ষণ সক্ষমতা প্রায় পূর্ণ হয়ে আসায় তেহরানকে উৎপাদন কমাতে হতে পারে।
বেসেন্টের ভাষ্য অনুযায়ী, এই পরিস্থিতির কারণে প্রতিদিন প্রায় ১৭০ মিলিয়ন ডলার রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে এবং ইরানের তেল অবকাঠামোয় দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন
তিনি আরও বলেন, সেই চাপের মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ক্রিপ্টো অ্যাক্সেস, ‘শ্যাডো ফ্লিট’ এবং অস্ত্র সংগ্রহের নেটওয়ার্কে লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপ। খবর আলজাজিরার।
বেসেন্ট দাবি করেন, এসব পদক্ষেপের ফলে ইরান সরকারের অর্থায়নের গুরুত্বপূর্ণ উৎসে আঘাত লেগেছে এবং কয়েক দশক বিলিয়ন ডলারের রাজস্ব ব্যাহত হয়েছে। এতে দেশটির মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে এবং মুদ্রার মান দ্রুত অবমূল্যায়িত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ দেশটির তেল বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে খারগ দ্বীপে সংরক্ষণ সক্ষমতা প্রায় পূর্ণ হয়ে আসায় তেহরানকে উৎপাদন কমাতে হতে পারে।
বেসেন্টের ভাষ্য অনুযায়ী, এই পরিস্থিতির কারণে প্রতিদিন প্রায় ১৭০ মিলিয়ন ডলার রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে এবং ইরানের তেল অবকাঠামোয় দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এনআইএন