বেশ কিছুদিনের তীব্র তাপদাহের পর রোববার (২৬ এপ্রিল) হঠাৎ ভারী বৃষ্টিপাতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে হাঁটু পানিতে ভাসছে কাজলা এলাকার বাসিন্দারা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাজলা এলাকায় অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়, ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন স্থানীয়রা।
বৃষ্টির পানির সঙ্গে সুয়ারেজের ময়লা পানি মিশে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে মশা-মাছির উৎপাতও বেড়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আগের দিনের বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এতে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে স্কুল, মাদরাসা ও হাসপাতালের সামনে দুর্ভোগের শেষ নেই। স্থানীয় চায়ের দোকানদার রতন মিয়া বলেন, আমি অনেক বছর ধরে এখানে চায়ের দোকান চালাচ্ছি। বৃষ্টির দিনে এক-দুদিন বৃষ্টি হলেই এখানে স্থায়ী জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।
হাঁটু পানি জমে থাকার কারণে মানুষ চলাচল করতে পারে না, দোকানেও কাস্টমার আসে না। আমরা এর স্থায়ী সমাধান চাই।স্থানীয় একটি রোলিং মিলের ম্যানেজার স্বপন মিয়া বলেন, আমি অনেক বছর ধরে এখানে কাজ করছি। প্রতিবছর বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি জমে যায়, এতে মানুষের চলাচলে মারাত্মক সমস্যা হয়। এক পাশে হাসপাতাল, অন্য পাশে মাদরাসা, এছাড়া আশপাশে বিভিন্ন দোকানপাট রয়েছে। মানুষ ঠিকমতো চলাচল করতে না পারলে ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয়রা মিলে দুটি পানির পাম্প দিয়ে পানি সরানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। এখানে সুয়ারেজ লাইন না থাকায় পানি বের হওয়ার কোনো পথ নেই। এটি রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, যেখানে সারাদিন যানবাহন চলাচল করে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের অনেক গাড়িও এই পথ ব্যবহার করে। মূল সড়কের পাশে এভাবে পানি জমে থাকা খুবই দুঃখজনক। এ সমস্যা সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
বৃষ্টির পানির সঙ্গে সুয়ারেজের ময়লা পানি মিশে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে মশা-মাছির উৎপাতও বেড়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আগের দিনের বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এতে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে স্কুল, মাদরাসা ও হাসপাতালের সামনে দুর্ভোগের শেষ নেই। স্থানীয় চায়ের দোকানদার রতন মিয়া বলেন, আমি অনেক বছর ধরে এখানে চায়ের দোকান চালাচ্ছি। বৃষ্টির দিনে এক-দুদিন বৃষ্টি হলেই এখানে স্থায়ী জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।
হাঁটু পানি জমে থাকার কারণে মানুষ চলাচল করতে পারে না, দোকানেও কাস্টমার আসে না। আমরা এর স্থায়ী সমাধান চাই।স্থানীয় একটি রোলিং মিলের ম্যানেজার স্বপন মিয়া বলেন, আমি অনেক বছর ধরে এখানে কাজ করছি। প্রতিবছর বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি জমে যায়, এতে মানুষের চলাচলে মারাত্মক সমস্যা হয়। এক পাশে হাসপাতাল, অন্য পাশে মাদরাসা, এছাড়া আশপাশে বিভিন্ন দোকানপাট রয়েছে। মানুষ ঠিকমতো চলাচল করতে না পারলে ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয়রা মিলে দুটি পানির পাম্প দিয়ে পানি সরানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। এখানে সুয়ারেজ লাইন না থাকায় পানি বের হওয়ার কোনো পথ নেই। এটি রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, যেখানে সারাদিন যানবাহন চলাচল করে। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের অনেক গাড়িও এই পথ ব্যবহার করে। মূল সড়কের পাশে এভাবে পানি জমে থাকা খুবই দুঃখজনক। এ সমস্যা সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন