অবৈধ বসবাস, শ্রম আইন লঙ্ঘন ও সীমান্ত অপরাধ দমনে সৌদি আরবে ব্যাপক অভিযান চালিয়েছে। গত এক সপ্তাহে ১৭ হাজার ৩৬৮ জন প্রবাসীকে বহিষ্কার করেছে দেশটি। একই সময়ে ১৩ হাজারের বেশি প্রবাসীকে আটকের তথ্য জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে গালফ নিউজ এ তথ্য জানায়।
১৬ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে ১২ হাজার ১৯২ জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ৬ হাজার ৬০৬ জন আবাসন আইন, ৩ হাজার ৫১০ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন এবং ২ হাজার ৭৬ জন শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক হন।
এছাড়া অবৈধভাবে দেশে প্রবেশের সময় ১ হাজার ৪৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের বেশিরভাগই ইথিওপিয়ার নাগরিক, পাশাপাশি ইয়েমেনসহ অন্যান্য দেশের নাগরিকও রয়েছেন। একই সময়ে অবৈধভাবে দেশত্যাগের চেষ্টা করার সময় আরও ৫০ জনকে আটক করা হয়।
অভিযানের অংশ হিসেবে ২০ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে ভ্রমণ নথি সংগ্রহের জন্য নিজ নিজ দূতাবাসে পাঠানো হয়েছে এবং অনেকের দেশে ফেরার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্তমানে ৩৩ হাজারের বেশি প্রবাসী আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে অবৈধভাবে বসবাস বা প্রবেশে সহায়তার অভিযোগে ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরিবহন, আশ্রয় দেয়া বা কাজের সুযোগ করে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে, এসব অপরাধে জড়িতদের সর্বোচ্চ ১৫ বছর কারাদণ্ড, ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা এবং সংশ্লিষ্ট সম্পদ জব্দ করা হতে পারে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে
রোববার (২৬ এপ্রিল) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে গালফ নিউজ এ তথ্য জানায়।
১৬ থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে ১২ হাজার ১৯২ জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ৬ হাজার ৬০৬ জন আবাসন আইন, ৩ হাজার ৫১০ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন এবং ২ হাজার ৭৬ জন শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক হন।
এছাড়া অবৈধভাবে দেশে প্রবেশের সময় ১ হাজার ৪৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের বেশিরভাগই ইথিওপিয়ার নাগরিক, পাশাপাশি ইয়েমেনসহ অন্যান্য দেশের নাগরিকও রয়েছেন। একই সময়ে অবৈধভাবে দেশত্যাগের চেষ্টা করার সময় আরও ৫০ জনকে আটক করা হয়।
অভিযানের অংশ হিসেবে ২০ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে ভ্রমণ নথি সংগ্রহের জন্য নিজ নিজ দূতাবাসে পাঠানো হয়েছে এবং অনেকের দেশে ফেরার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্তমানে ৩৩ হাজারের বেশি প্রবাসী আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে অবৈধভাবে বসবাস বা প্রবেশে সহায়তার অভিযোগে ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরিবহন, আশ্রয় দেয়া বা কাজের সুযোগ করে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে, এসব অপরাধে জড়িতদের সর্বোচ্চ ১৫ বছর কারাদণ্ড, ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা এবং সংশ্লিষ্ট সম্পদ জব্দ করা হতে পারে।
বাংলাস্কুপ/ডেস্ক/এইচএইচ/এসকে