উৎপাদনে ফেরার মাত্র ১৫ ঘণ্টার মাথায় আবারও বন্ধ হয়ে গেল দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ করেই প্রথম ইউনিটের বয়লারের টিউব বিস্ফোরিত হয়। এতে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়ার ঘটনায় ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে কেন্দ্রটির সব ইউনিটের উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
এর আগে, গত বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টা ৩ মিনিটে কয়লার সঙ্গে পাথর আসায় বয়লারের পাইপ ফেটে যায় এবং কুলিং ফ্যান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই ঘটনায় কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। টানা ৪৮ ঘণ্টা মেরামতের পর শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে পুনরায় উৎপাদনে ফেরে ইউনিটটি। তবে উৎপাদন শুরুর অল্প সময়ের মধ্যেই নতুন করে যান্ত্রিক ত্রুটিতে আবারও বন্ধ হয়ে গেল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি।
কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়ায় ইউনিটটি বন্ধ করতে হয়েছে। বর্তমানে বয়লারের স্টিম ঠান্ডা হওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। মেরামত কাজ সম্পন্ন করে পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে ৫ থেকে ৬ দিন সময় লাগতে পারে।
এদিকে, বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পার্বতীপুরসহ উত্তরাঞ্চলের অন্তত ৮টি জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। ফলে এসব এলাকায় লোডশেডিং বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
জানা গেছে, বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়ার ঘটনায় ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে কেন্দ্রটির সব ইউনিটের উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
এর আগে, গত বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টা ৩ মিনিটে কয়লার সঙ্গে পাথর আসায় বয়লারের পাইপ ফেটে যায় এবং কুলিং ফ্যান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই ঘটনায় কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। টানা ৪৮ ঘণ্টা মেরামতের পর শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে পুনরায় উৎপাদনে ফেরে ইউনিটটি। তবে উৎপাদন শুরুর অল্প সময়ের মধ্যেই নতুন করে যান্ত্রিক ত্রুটিতে আবারও বন্ধ হয়ে গেল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি।
কেন্দ্রটির প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়ায় ইউনিটটি বন্ধ করতে হয়েছে। বর্তমানে বয়লারের স্টিম ঠান্ডা হওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। মেরামত কাজ সম্পন্ন করে পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে ৫ থেকে ৬ দিন সময় লাগতে পারে।
এদিকে, বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পার্বতীপুরসহ উত্তরাঞ্চলের অন্তত ৮টি জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। ফলে এসব এলাকায় লোডশেডিং বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন