রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় পদ্মা-যমুনার মোহনায় জেলের জালে ৪২ কেজি ৫০০ গ্রাম ওজনের দুটি কাতল মাছ ধরা পড়েছে। মাছ দুটি ৮৬ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে দৌলতদিয়ার ৬ নম্বর ফেরিঘাটের উজানে পদ্মা-যমুনার মোহনায় জেলে জামাল প্রামাণিক ও বাবু সরদারের জালে মাছ দুটি ধরা পড়ে। তাদের কাছ থেকে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে মাছ দুটি কিনে নেন দৌলতদিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার মাছ ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা। পরে তিনি মাছ দুটি এক শিল্পপতির কাছে বিক্রি করেন।
জানা গেছে, ভোরে জেলে জামাল প্রামাণিক তার সহযোগীদের নিয়ে দৌলতদিয়ার ৬ নম্বর ফেরিঘাটের উজানে পদ্মা-যমুনার মোহনায় জাল ফেলেন। সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে হঠাৎই জালে ধাক্কা লাগে। জাল তুলে তিনি দেখতে পান বিশাল আকৃতির একটি কাতল মাছ ধরা পড়েছে। পরে দৌলতদিয়া বাজারের রেজাউল মণ্ডলের আড়তে এনে ওজন দিয়ে দেখা যায়, মাছটির ওজন ২৫ কেজি ৫০০ গ্রাম। ওই আড়ত থেকে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে দুই হাজার ১০০ টাকা কেজি দরে ৫৩ হাজার ৫৫০ টাকায় মাছটি কিনে নেন ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা।
অন্যদিকে, সকাল ৬ টার দিকে একই এলাকায় জেলে বাবু সরদারের জালে ধরা পড়ে ১৭ কেজি ওজনের আরও একটি কাতল মাছ। তিনি মাছটি বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন দৌলতদিয়া বাজারের আনোয়ার সরদারের আড়তে। ওই আড়ত থেকে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে এক হাজার ৭০০ টাকা কেজি দরে ২৮ হাজার ৯০০ টাকায় এ মাছটিও কিনে নেন ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা।
এ বিষয়ে চাঁদনী অ্যান্ড আরিফা মৎস্য আড়তের স্বত্বাধিকারী মো. চান্দু মোল্লা বলেন, ‘পদ্মা নদীর বড় কাতল মাছের চাহিদা রয়েছে। এ জন্য ২৫ কেজি ৫০০ গ্রাম ও ১৭ কেজি ওজনের কাতল মাছ দুটি বেশি দাম দিয়ে কিনে নিই। পরে মোবাইলে যোগাযোগ করে ঢাকার এক শিল্পপতির কাছে ২৫ কেজি ৫০০ গ্রাম ওজনের মাছটি কেজিপ্রতি ১০০ টাকা লাভে দুই হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে ও ১৭ কেজি ওজনের মাছটি কেজিপ্রতি ১০০ টাকা লাভে এক হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। মাছ দুটির মোট দাম হয়েছে ৮৬ হাজার ৭০০ টাকা। ক্রেতার ঠিকানায় বিশেষ ব্যবস্থায় মাছ দুটি পাঠিয়েও দিয়েছি।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে দৌলতদিয়ার ৬ নম্বর ফেরিঘাটের উজানে পদ্মা-যমুনার মোহনায় জেলে জামাল প্রামাণিক ও বাবু সরদারের জালে মাছ দুটি ধরা পড়ে। তাদের কাছ থেকে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে মাছ দুটি কিনে নেন দৌলতদিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার মাছ ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা। পরে তিনি মাছ দুটি এক শিল্পপতির কাছে বিক্রি করেন।
জানা গেছে, ভোরে জেলে জামাল প্রামাণিক তার সহযোগীদের নিয়ে দৌলতদিয়ার ৬ নম্বর ফেরিঘাটের উজানে পদ্মা-যমুনার মোহনায় জাল ফেলেন। সকাল সাড়ে ৬ টার দিকে হঠাৎই জালে ধাক্কা লাগে। জাল তুলে তিনি দেখতে পান বিশাল আকৃতির একটি কাতল মাছ ধরা পড়েছে। পরে দৌলতদিয়া বাজারের রেজাউল মণ্ডলের আড়তে এনে ওজন দিয়ে দেখা যায়, মাছটির ওজন ২৫ কেজি ৫০০ গ্রাম। ওই আড়ত থেকে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে দুই হাজার ১০০ টাকা কেজি দরে ৫৩ হাজার ৫৫০ টাকায় মাছটি কিনে নেন ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা।
অন্যদিকে, সকাল ৬ টার দিকে একই এলাকায় জেলে বাবু সরদারের জালে ধরা পড়ে ১৭ কেজি ওজনের আরও একটি কাতল মাছ। তিনি মাছটি বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন দৌলতদিয়া বাজারের আনোয়ার সরদারের আড়তে। ওই আড়ত থেকে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে এক হাজার ৭০০ টাকা কেজি দরে ২৮ হাজার ৯০০ টাকায় এ মাছটিও কিনে নেন ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা।
এ বিষয়ে চাঁদনী অ্যান্ড আরিফা মৎস্য আড়তের স্বত্বাধিকারী মো. চান্দু মোল্লা বলেন, ‘পদ্মা নদীর বড় কাতল মাছের চাহিদা রয়েছে। এ জন্য ২৫ কেজি ৫০০ গ্রাম ও ১৭ কেজি ওজনের কাতল মাছ দুটি বেশি দাম দিয়ে কিনে নিই। পরে মোবাইলে যোগাযোগ করে ঢাকার এক শিল্পপতির কাছে ২৫ কেজি ৫০০ গ্রাম ওজনের মাছটি কেজিপ্রতি ১০০ টাকা লাভে দুই হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে ও ১৭ কেজি ওজনের মাছটি কেজিপ্রতি ১০০ টাকা লাভে এক হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছি। মাছ দুটির মোট দাম হয়েছে ৮৬ হাজার ৭০০ টাকা। ক্রেতার ঠিকানায় বিশেষ ব্যবস্থায় মাছ দুটি পাঠিয়েও দিয়েছি।’
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন