কাপ্তাই হ্রদে আজ মধ্যরাত থেকে সব ধরনের মৎস্য আহরণে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। আগামী ১ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত তিন মাস এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
জানা যায়, নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে হ্রদে মাছ শিকার, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। ইতিমধ্যে হ্রদে মাছ শিকার বন্ধের প্রস্তুতি হিসেবে জেলেরা তাদের জাল ও নৌকা হ্রদের পাড়ে তুলে রাখতে শুরু করেছেন। তবে ২৫ এপ্রিল বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ঘাটে অবতরণ করা যাবে।
বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) উপ-ব্যবস্থাপক মো. মাসুদ আলম জানান, এই বছর বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ ঘাটে প্রায় ৯ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন মাছ অবতরণ করেছে। এ থেকে প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।
রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, কাপ্তাই হ্রদে মাছের বংশংবৃদ্ধি, অবমুক্ত করা পোনার বিস্তার ও মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিতকরণের জন্য মাছ শিকার ও আহরণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি প্রচারের জন্য নৌ ও সড়কপথে মাইকিং করা হয়েছে। বন্ধকালীন হ্রদে মাছ শিকার রোধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি বন্ধ থাকবে স্থানীয় বরফ কলগুলো।
তিনি আরও বলেন, বন্ধকালীন জেলেদের দুই মাসের ২০ কেজি করে খাদ্যশষ্য উপজেলাগুলোতে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। আর ২০ কেজি থেকে ৪০ কেজি দেয়ার প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে।
গত বছর হ্রদে ৬০ মেট্রিক টন কার্প জাতীয় মাছে পোনা অবমুক্ত করা হয়েছিলো। হ্রদে মাছ ধরে জীবিকা চালায় এই অঞ্চলের ২৭ হাজার জেলে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
জানা যায়, নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে হ্রদে মাছ শিকার, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। ইতিমধ্যে হ্রদে মাছ শিকার বন্ধের প্রস্তুতি হিসেবে জেলেরা তাদের জাল ও নৌকা হ্রদের পাড়ে তুলে রাখতে শুরু করেছেন। তবে ২৫ এপ্রিল বিকেল ৪ টা পর্যন্ত ঘাটে অবতরণ করা যাবে।
বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) উপ-ব্যবস্থাপক মো. মাসুদ আলম জানান, এই বছর বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ ঘাটে প্রায় ৯ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন মাছ অবতরণ করেছে। এ থেকে প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।
রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, কাপ্তাই হ্রদে মাছের বংশংবৃদ্ধি, অবমুক্ত করা পোনার বিস্তার ও মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিতকরণের জন্য মাছ শিকার ও আহরণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি প্রচারের জন্য নৌ ও সড়কপথে মাইকিং করা হয়েছে। বন্ধকালীন হ্রদে মাছ শিকার রোধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি বন্ধ থাকবে স্থানীয় বরফ কলগুলো।
তিনি আরও বলেন, বন্ধকালীন জেলেদের দুই মাসের ২০ কেজি করে খাদ্যশষ্য উপজেলাগুলোতে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। আর ২০ কেজি থেকে ৪০ কেজি দেয়ার প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে।
গত বছর হ্রদে ৬০ মেট্রিক টন কার্প জাতীয় মাছে পোনা অবমুক্ত করা হয়েছিলো। হ্রদে মাছ ধরে জীবিকা চালায় এই অঞ্চলের ২৭ হাজার জেলে।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন