সরবরাহ বৃদ্ধির পরেও জ্বালানি তেল সংকটের রেশ পুরোপুরি কাটেনি। তেলের জন্য পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন ও অপেক্ষার চাপ এখনও বিদ্যমান। সরবরাহ বেশি থাকায় গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী তেল দিচ্ছে পাম্প কর্তৃপক্ষ। ফলে রাজধানীর ফিলিং স্টেশগুলোতে কিছুটা কমছে ভোগান্তি। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাতে রাজধানীর পাম্পগুলোতে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।
রাজধানীর আরামবাগ পেট্রোল পাম্পের কর্মী রহমান বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রলি) রাতে জানান- আজ সকালে আমরা দুইগাড়িতে ১৮ হাজার লিটার অকটেন-পেট্রোল পেয়েছি। সারাদিন তেল দেওয়ার পরও রাতেও তেল দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও ডিপো থেকে এখন তেল সরবরাহ বেড়েছে। ফলে সংকট অনেকাংশে কমে গেছে।
দেখা যায়, সরবরাহ বেশি থাকায় গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী তেল দিচ্ছে পাম্প কর্তৃপক্ষ। ফলে রাজধানীর ফিলিং স্টেশগুলোতে কিছুটা কমছে ভোগান্তি। পাম্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্বাভাবিক হয়েছে তেল সরবরাহ। ফুয়েল পাসে তেল সরবরাহে কিছুটা সময় লাগছে। এতে তেমন একটা ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে না। এরইমধ্যে গ্রাহকদের চাহিদা কমতে শুরু করেছে। ফলে ধীরে ধীরে লাইনও ছোট হয়ে আসছে। পর্যাপ্ত মজুত ও ধারাবাহিক সরবরাহ অব্যাহত থাকলে দ্রুতই সংকট কেটে যাবে বলে মনে করছেন তারা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
রাজধানীর আরামবাগ পেট্রোল পাম্পের কর্মী রহমান বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রলি) রাতে জানান- আজ সকালে আমরা দুইগাড়িতে ১৮ হাজার লিটার অকটেন-পেট্রোল পেয়েছি। সারাদিন তেল দেওয়ার পরও রাতেও তেল দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও ডিপো থেকে এখন তেল সরবরাহ বেড়েছে। ফলে সংকট অনেকাংশে কমে গেছে।
দেখা যায়, সরবরাহ বেশি থাকায় গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী তেল দিচ্ছে পাম্প কর্তৃপক্ষ। ফলে রাজধানীর ফিলিং স্টেশগুলোতে কিছুটা কমছে ভোগান্তি। পাম্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্বাভাবিক হয়েছে তেল সরবরাহ। ফুয়েল পাসে তেল সরবরাহে কিছুটা সময় লাগছে। এতে তেমন একটা ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে না। এরইমধ্যে গ্রাহকদের চাহিদা কমতে শুরু করেছে। ফলে ধীরে ধীরে লাইনও ছোট হয়ে আসছে। পর্যাপ্ত মজুত ও ধারাবাহিক সরবরাহ অব্যাহত থাকলে দ্রুতই সংকট কেটে যাবে বলে মনে করছেন তারা।
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন